দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জনপ্রিয় ইসলামী বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারী বলেছেন,বর্তমান তরুন প্রজন্ম উজ্জীবিত। তারা দেখিয়ে দিয়েছে বিগত ১৬ বছরের জালিমকে কিভাবে সরাতে হয়। সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকায় অল্প কিছুদিনের মধ্যে আমরা নতুন একটি বাংলাদেশ পেয়েছি,নতুন ভোরের বাংলাদেশ। এখন আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে,বিচ্ছিন্ন থাকলে হবে না। তবেই সম্ভব ইসলামের দেশ প্রতিষ্ঠায়।
শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের মহারাজপুর ইউনিয়নের ঘোড়া স্ট্যান্ড সংলগ্ন মাঠে জাবালুন নুর ফাউন্ডেশনের আয়োজিত তাফসির মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. মিজানুর রহমান আজহারী বলেন, আমাদের সুখ অনেকের ভাল লাগে না,নানা মুখি ষড়যন্ত্র। এমন এক দেশের পাশে আমরা প্রতিবেশি হয়ে আসছি,আমাদের বুঝে শুনে পদক্ষেপ নিতে হয়। যদি সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধ থাকি, কেউ আমাদের কিছু করতে পারবে না। আমরা এমন এক রাজনৈতিক বন্দোবস্ত চাই,যেখানে কেউ কাউকে জুলুম করার সাহস দেখাবে না। নতুন করে ফ্যাসিস্টরা আর দুঃসাহস দেখাতে পারবে না। নতুন ভোরের বাংলাদেশে এগুলোর পুনরাবৃত্তি আমরা চাই না।
তিনি বলেন,আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসগুলোতে উন্নতমানের রিসার্চ হোক। যেগুলো আমরা অন্যান্য দেশে দেখি, যে ছাত্রের হাতে কলম লেগেছে, সে হাতে অস্ত্রের স্পর্শ না লাগুক। আমরা নতুন বাংলাদেশে বুক ভরা স্বপ্ন নিয়ে এগোতে চাই।
মিজানুর রহমান আজহারী আরও বলেন, এক রাজনৈতিক দল অন্য রাজনৈতিক দলকে সম্মান করবে, শ্রদ্ধা করবে। এমন নেতা আমরা চাই, যে নেতা অসুস্থ হলে আমরা সারাদেশের মানুষ জায়নামাজ বিছিয়ে মোনাজাতে চোখের পানি ছেড়ে তার জন্য দোয়া করব। আজহারী আগামী রমজান মাসে মুমিনদের করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়ে আলোচনা করে শেষ করেন।
তাফসির মাহফিলে জাবালুন নুর ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আবু জার গিফারীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল।
এছাড়াও প্রথম অধিবেশনে আলোচনা করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের অধ্যাপক ড. গিয়াস উদ্দিন তালুকদার ও বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরিনের সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মো. নুরুল আমিন।
কে