দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কিশোরগঞ্জে বিএনপির জনসভায় ছাত্রদলের মিছিলে কামরুল ইসলাম নামে এক যুবলীগের এক নেতাকে সামনের সাড়িতে দেখা গেছে।
বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মিছিল বের করলে সামনের সারিতে দেখা যায় ওই যুবলীগ নেতাকে।
কামরুল ইসলাম কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি।
জানা যায়, বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কিশোরগঞ্জের পুরাতন স্টেডিয়ামে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিরোধ, আইন শৃঙ্খলার উন্নতি, পতিত স্বৈরাচারের দোসরদের বিচার ও দ্রুত গণতান্ত্রিক যাত্রা পথে উত্তরণের জন্য নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবিতে জনসভা হয়। এ উপলক্ষে জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন ওয়ার্ড থেকে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে জনসভায় যোগ দেন। জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আব্দুর রহমান রাজীবের নেতৃত্বেও একটি মিছিল আসে। মিছিলে সামনের সারিতে যোগ দেন যশোদল ইউনিয়ন যুব লীগের সভাপতি কামরুল ইসলাম।
মিছিলে স্লোগান দিতে শোনা যায়, অ্যাকশন অ্যাকশন ডাইরেক্ট অ্যাকশন। ছাত্রদলের অ্যাকশন, যুবদলের অ্যাকশন। জ্বালো জ্বালো, আগুন জ্বালো। ইতোমধ্যে মিছিলে যুবলীগের ওই নেতার উপস্থিতির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। একজন ওই ছবি পোস্ট করে লিখেন, এতোদিন শুনেছি যশোদল থেকে বীরের জন্ম হয় এখন দেখছি কাপুরুষও বেঈমানের জন্ম হয়। টুপিপড়া সেই কামরুল এতদিন যশোদল ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ছিলেন। এখন ছাত্রদলের সভাপতি হতে চাচ্ছে। এই বেইমানদের জন্য আজকে আওয়ামী লীগের এই অবস্থা।
যুবলীগের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কামরুল ইসলাম যশোদল ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি। যে ছবিটা দেখছেন শার্ট-প্যান্ট পড়া মাথায় টুপি, সেই কামরুল ইসলাম। ৫/৭ বছর আগে ওই কমিটি দেওয়া হয়। ইদানিং মুখে দাঁড়ি রাখছে ও মাথায় টুপি দিছে।
ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আব্দুর রহমান রাজীব বলেন, আমাকেও অনেকেই ফোন দিয়েছে। আসলেও এই মিছিলে কিভাবে এলো আমি জানি না। আমি প্রোগ্রাম শেষে জানতে পেড়েছি সে নাকি ইউনিয়ন যুবলীগ করে। আমার বন্ধুও না, পরিচিত কেউ না। হুট করে আমার এখানে আসছে নিশ্চয়ই কোনো ক্ষতি করার জন্য। আমি নিজেও বিভ্রান্তির মধ্যে পড়ে গেছি। যেই লোকেশন দেখা যাচ্ছে ওইটা শহরের মাঝখানে। হয়তো হুট করে ঢুকে ছবি তুলে চলে গেছে। ১৭ বছর ধরে আন্দোলন সংগ্রাম করে এখন যুবলীগ নিয়ে মিছিল করতে হবে এমনটা কখনও হতে পারে না। ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি ছিলাম সেখান থেকে এখানে আসছি। আমার ফেসবুকে দেখেন যেসব ছবি দেওয়া আছে সেখানে ওর উপস্থিতি নাই। হুট করে ছবি তুলে চলে গেছে।
আরএ