দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় মোবারক হোসেন বাবু নামের এক আ.লীগ কর্মীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ২ জন।
শনিবার (১৭ জুন) বিকেলে চাঁদপুরে মতলব উত্তর উপজেলার মাথাভাঙা হাই স্কুল মাঠে প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে সমাবেশের আয়োজন করেন আ.লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। সমাবেশে মিছিল নিয়ে যোগ দেওয়ার পথে মায়া চৌধুরীর প্রতিপক্ষ হামলা করে। এতে গুলিবিদ্ধ হন মোবারক হোসেন বাবু ও তার ছেলে।
আওয়ামী লীগের মিছিলে গুলি করে বাবুকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বাবুর ছেলে ইমরানকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া পায়ে গুলিবিদ্ধ আরেকজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহতের স্বজনরা জানায়, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কাজী মিজান ও তার ছোট ভাই কাজী মতিন এই হামলা ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তারা জড়িতদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
নিহতের ছোট ভাই যুবলীগ নেতা আমির হোসেন কালু দাবি করেন, পরিকল্পিতভাবে তার ভাই মোবারক হোসেন বাবুকে (৪৮) গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে ইমরানের (১৮) অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. হাসিবুল ইসলাম জানান, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে বাবুর মৃত্যু হয়ছে। পায়ে গুলিবিদ্ধ জসিম নামের আরেকজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন জানিয়েছেন, গুলির ঘটনায় জড়িত ১ জনকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এদিকে হামলা ও গুলির ঘটনায় প্রতিবাদ সমাবেশ অসমাপ্ত রেখেই মায়া চৌধুরী আহত ও নিহতকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন আ.লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া।