দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ফরিদপুরের সালথায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের জেরে ৭টি বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ সময় ঘরে থাকা মালামাল ও নগদ টাকা লুটে নেয় হামলাকারীরা।
রোববার (২৭ জানুয়ারি) রাত ৯টার দিকে উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মাঝারদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মাঝারদিয়া গ্রামের বাসিন্দারা জানান, এলাকার আধিপত্য নিয়ে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক হারুন মাতুব্বর ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হামিদের সাথে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাহিদুজ্জামান সাহিদের বিরোধ চলে আসছিল। সম্প্রতি এই বিরোধের জেরে মাঝারদিয়া গ্রামে দুই দফা সংঘর্ষ ও বাড়িঘরে হামলার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের ঘটনার পর আওয়ামী লীগ নেতা সাহিদুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বর্তমানে তিনি কারাগারে আছেন।
রোববার সন্ধ্যায় স্থানীয় বিনোকদিয়া বাজার থেকে হারুন মাতুব্বরের সমর্থক শফি মাতুব্বরের ছেলে পলাশ মাতুব্বরকে মারধর করে সাহিদুজ্জামান সাহিদের সমর্থকরা। খবর পেয়ে হারুনের সমর্থকরা বিনোকদিয়া বাজারে গিয়ে সাহিদের সমর্থক আসাদ মাতুব্বর ও হুমাউন মাতুব্বরকে মারধর করে।
পরে সাহিদের সমর্থকরা জড়ো হয়ে মাঝারদিয়া গ্রামের শফি মাতুব্বর ও তার ছেলেদের ৫টি, রবিন মাতুব্বরের ১টি ও কামরুল মাতুব্বরের ১টি বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। এ সময় হামলাকারীরা শফির দুটি খড়ের গাদায় আগুন ধরিয়ে দেয় এবং এসব ঘরের মালামাল ও নগদ কয়েক লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায় বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন।
সোমবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতাউর রহমান বলেন, হামলা-ভাঙচুর ও আগুন দেওয়ার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করি। এখানে চারটি বাড়িতে একতরফা হামলা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরএ