দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]
হিমালয় কন্যা বলা হয় পঞ্চগড়কে। এ জেলায় শীতের ঋতু আসার আগেই শীতের আগমন ঘটে। বিদায় হয় সবার শেষে। হিমালয় খুব কাছাকাছি থাকার কারণেই ভৌগলিকভাবে এ জেলার শীতের প্রভাব থাকে ৪ থেকে ৫ মাস। এ বছর শুরুটা তেমন শীতের দাপট দেখা না গেলেও বছরের শুরুর দিনেই শীতের দাপট শুরু হয়।
বাংলা বঙ্গাব্দ হিসেবে চলছে পৌষ মাস। স্বাভাবিকভাবে এ সময় এ জেলার ওপর দিয়ে কয়েক দফা শৈত্যপ্রবাহ হয়ে থাকে। তবে বছরের শুরুর দিনেই সূর্যের মুখ দেখা যায়নি পঞ্চগড়ে। তবে হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশা বইতে থাকে। ফলে জনজীবনে স্থবিরতা নেমে আসে।
বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) সকাল হতে তেমন কুয়াশা না থাকলেও হিমালয়ের হিম বাতাস ও কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। বৃষ্টির মতো ঝরছে শিশির। গ্রাম হতে শহরে সব স্থানে মানুষ শীত নিবারণের জন্য খড়কুটো জ্বালাতে দেখা যায়। যানবাহনগুলোকে হেড লাইট জ্বালিয়ে গন্তব্যে যায়। আজ সকাল ৯টা তেতুলিয়া আবহাওয়া অফিসে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যার আদ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ। বাতাসের গতিবেগ ১২ হতে ১৫ কিলোমিটার।
সরকারিভাবে যে পরিমাণ শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। তা এই জেলার জন্য যথেষ্ট নয়।
তেতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কর্মকর্তা জানান,পুরো জানুয়ারি মাসজুড়ে কয়েকটি শৈত্যপ্রবাহ পঞ্চগড় জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাবে। তাপমাত্রার পারদ আরও নিচে নেমে আসবে। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আরএ