দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ফরিদপুরের সালথায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ সময় বেশ কয়েকটি বাড়িতে-ঘরে ভাঙচুর করা হয়।
মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মাঝারদিয়া গ্রামে এ সংঘর্ষ ঘটে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মাঝারদিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. সাহিদুজ্জামান সাহিদের সঙ্গে আরেক সহসভাপতি ও সাবেক তিনবারের ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হামিদের বিরোধ চলে আসছিল। এ বিরোধের জেরে মাঝে মাঝেই ওই দুই প্রভাবশালী নেতার সমর্থকরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ ও মামলা থেকে রক্ষা পেতে একপর্যায়ে পরিবার নিয়ে এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হন হামিদ চেয়ারম্যান।
মঙ্গলবার বিকেলে পেঁয়াজের জমি দেখতে বাড়িতে আসেন হামিদ চেয়ারম্যান। খবর পেয়ে সাহিদের সমর্থকরা হামিদের বাড়িতে গিয়ে তার ওপর হামলা করে। হামলার খবর ছড়িয়ে পড়লে এর প্রতিবাদ করেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মো. হারুন মাতুব্বরের সমর্থকরা। পরে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমর্থকরা সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। দফায় দফায় প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলে এ সংঘর্ষ। এসময় ৫-৬টি বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়।
এতে হামিদ চেয়ারম্যানসহ উভয় দলের কমপক্ষে ২০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে প্রায় ১২ জনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে আহতদের নাম পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।
এ ব্যাপারে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতাউর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিবেশ শান্ত করে। এলাকা এখন শান্ত রয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
কে