দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কুড়িগ্রামে হাড় কাঁপানো কনকনে ঠান্ডায় কাঁপছে মানুষ। ঘন কুয়াশা না থাকলেও বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি হওয়ায় ঠান্ডা বেশি অনুভূত হচ্ছে। ফলে সূর্যের আলোতেও তেমন একটা উষ্ণতা পাচ্ছে না জেলার ১৬টি নদীর অববাহিকার দরিদ্র মানুষজন। সেই সঙ্গে উত্তরীয় হিমেল হাওয়া বাড়িয়ে দিয়েছে ঠান্ডার মাত্রা। এতে চরম দুর্ভোগে পরেছেন খেটে-খাওয়া, শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষজন।
মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় জেলায় সর্বনিম্ন ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ৯৮ শতাংশ। এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১-১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে উঠানামা করছে বলে জানিয়েছে রাজারহাট আবহাওয়া অফিস।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, তাপমাত্রা আরও নিম্নগামী হচ্ছে। সেই সাথে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। এছাড়া হিমালয়ের হিম বাতাসের কারণে দুর্ভোগ বেড়েছে সাধারণ মানুষের।
সদরের পাঁচগাছী ইউনিয়নের কৃষি শ্রমিক আজিজুল হক বলেন, দিনে সূর্য উঠলেও ঠান্ডা বাতাসের কারণে স্বস্তি লাগে না। ফলে ক্ষেতে কাজ করা কষ্টকর হয়। সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত কনকনে ঠান্ডায় ঘর থেকে বের হওয়া অসম্ভব হয়ে পরে।
যাত্রাপুর ইউনিয়নের ভ্যানচালক আব্দুল বাতেন বলেন, তিন দিন ধরে কুয়াশা কম। তবে ভ্যানে উঠলে প্রচন্ড ঠান্ডা বাতাসে হাত পায়ে কাঁপুনি আসে। শরীর অবস হওয়ার মতো হয়। কিন্তু উপায় তো নেই! রোজগার না করলে পরিবারকে খাওয়াবো কী?
অপরদিকে শীতে বাড়ছে ঠান্ডা জনিত রোগে। ফলে ওষুধের দোকানগুলোতে বাড়ছে এন্টিহিস্টামিনসহ সর্দি, কাশি ও শাসকষ্ট জনিত রোগের ভিড়।
জেলা শহরের ওষুধ বিক্রেতা মাসুদ রানা জানান, ঠান্ডা বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে বেড়েছে শীত জনিত রোগ। সেই সাথে চাহিদা বেড়েছে এন্টিহিস্টামিনসহ মন্টিলুকাস্ট জাতীয় ওষুধের।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল হাই সরকার জানান, শীত নিবারণের জন্য সরকারিভাবে বরাদ্দের ২৭ লাখ টাকা ও ১২ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। নতুন করে বরাদ্দ পাওয়ামাত্র তা বিতরণ করা হবে।
আরএ