দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

অন্তরঙ্গ ভিডিও ফাঁস এবং সংগঠনবিরোধী কাজে যুক্ত থাকার অভিযোগে যশোর জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তরিকুল ইসলামকে জেলা ছাত্রলীগের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৪ জুন) যশোর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সালাউদ্দীন কবির পিয়াস এবং সাধারণ সম্পাদক তানজীব নওশাদ পল্লব স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এছাড়া তরিকুলকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করার জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ বরাবর সুপারিশ করা হয়।
এর আগে যশোর জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তরিকুল ইসলাম ও একই সংগঠনের এক নেত্রীর অন্তরঙ্গ ভিডিও, ছবি ও হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে যশোরসহ সারাদেশ জুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
জানা যায়, ভুক্তভোগী ঐ ছাত্রী সরকারি এমএম কলেজ থেকে সম্প্রতি পড়াশোনা শেষ করে বর্তমানে সাতক্ষীরা ল’ কলেজে পড়াশোনা করছেন। তিনি এম এম কলেজে পড়াশোনাকালীন ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের রাজনীতি করতেন।
ভুক্তভোগী ছাত্রী অভিযোগে উল্লেখ করেন, প্রায় দুই বছর আগে যশোর সরকারি এমএম কলেজের বাংলা বিভাগে পড়াশোনাকালে একই কলেজের ভূগোল বিভাগের ছাত্র ও জেলা ছাত্রলীগ নেতা তরিকুল ইসলামের সঙ্গে পরিচয় হয় তার। এরপর আস্তে আস্তে তা প্রেমের সম্পর্কে গড়ায়। একে অপরকে দেয় বিয়ের প্রতিশ্রুতিও। সম্পর্ক গভীর হলে তারা একসঙ্গে থাকা শুরু করেন। তরিকুল তার ভাড়া বাসায় স্ত্রী পরিচয়ে ওই নেত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলেন। তবে সম্প্রতি মেয়েটি বিয়ের কথা বললে সম্পর্ক অস্বীকার করে তাকে খুনের ভয় দেখাচ্ছেন তরিকুল। এমনকি অন্যত্র বিয়ের জন্য পারিবারিকভাবে মেয়ে দেখছেন তরিকুলের পরিবার।
ভুক্তভোগী ছাত্রলীগ নেত্রী বলেন, ছাত্রলীগের দাপট দেখিয়ে তরিকুল আমার জীবনটাকে তছনছ করে দিয়েছে। এখন বিয়ে করতে অস্বীকার করছে।
তিনি আরও বলেন, তিনি তরিকুলের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে কেন্দ্রীয় ও জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদকের কাছে অভিযোগ করেছেন। তরিকুলের বাবা-দুলাভাইকেও জানিয়েছেন। এরপরেও বিচার না পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।
আরএ