দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বিকাল থেকে ঝড়-বাতাস ও বৃষ্টি বয়ে গেছে উপকূলীয় জেলা ভোলায়। এদিকে ঘূর্নিঝড় রেমাল মোকাবেলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা প্রশাসন। রাত ৮ টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভা।
এদিকে সাত নাম্বার বিপদ সংকেত বাড়ার সাথে সাথে সিপিপি, রেডক্রিসেন্ট সহ স্বেচ্ছাসেবী কর্মীরা রাতেই পতাকা টাঙ্গিয়ে নেমে পড়েন প্রচারণায়। মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে আনতে পরামর্শ দিচ্ছেন তারা। তবে, মূল ভূখণ্ডের বাসিন্দাদের নিরাপদে আনতে সকাল থেকেই কাজ শুরু করবে জেলা প্রশাসন।
মেডিকেল টিম ও কন্ট্রোল রুম খোলা সহ সরকারি দপ্তরের সকল কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে শুকনো খাবার, চালসহ খাদ্য সামুগ্রী। জেলায় ৮৭৯টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
এদিকে ভোলার সব রুটে বন্ধ করা হয়েছে নৌ যান চলাচল। বন্ধের নির্দেশ রয়েছে ভোলা-লক্ষীপুর রুটের লঞ্চ, সি ট্রাক ও স্পিড বোট।
ঝড় নিয়ে আতংকের কথা জানার ভোলার মারুষ। মানুষকে সচেতন করতে সব ধরনের প্রস্তুতির কথা জানান সিপিপি কর্মকর্তা আবদুর রশিদ। তিনি বলেন, উপকূলের সব স্থানে মাইকিং চলছে।
ভোলার জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামান বলেন, ঝড় মোকাবেলা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।
এম