দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে তিনজন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজনের দুই পা বিস্ফোরণে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
রোববার (৫ মে) ভোরে উপজেলার ফুলতলী সীমান্তের ৪৭ নম্বর পিলার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন, কক্সবাজারের রামু উপজেলার মো. রফিক, গর্জনিয়া এলাকার মো. আব্দুল্লাহ ও কচ্ছপিয়া এলাকার রশিদ আহমেদ। এদের মধ্যে মো. আব্দুল্লাহর দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
স্থানীয়রা জানায়, বিস্ফোরণে আহতরা মিয়ানমারের অভ্যন্তরে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করে গরু আনতে গিয়েছিল। সেখানে আরাকান আর্মি ও মিয়ানমার সেনাবাহিনীর পুঁতে রাখা স্থলমাইন বিস্ফোরণে তিনজন গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এর আগে শনিবার রাতে একই এলাকায় মাইন বিস্ফোরণে দুই বাংলাদেশি আহত হন। এরা সবাই অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করে সীমান্তের ওপার থেকে গরু আনতে গিয়েছিল। সেখানে আরাকান আর্মি ও মিয়ানমার সেনাবাহিনীর পুঁতে রাখা স্থলমাইন বিস্ফোরণে তারা আহত হয়। নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আফসার ইমন জানান, খবর পেয়ে আহতদের উদ্ধার করে কক্সবাজার হাসপাতালে ভর্তি করেছেন স্থানীয়রা।
মাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় সীমান্তে বিজিবি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মো. আশিকুর রহমান বলেন, শনিবার রাতে একজনকে এবং রোববার বেলা সাড়ে ১০টায় অপর একজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় আনা হয়। তাদের আঘাতের অবস্থা গুরুতর। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ছাবের আহমদ জানান, খবর পেয়ে আহতদের উদ্ধার করে কক্সবাজার হাসপাতালে ভর্তি করেছে স্থানীয়রা। সীমান্তে বিজিবি নিরাপত্তা জোরদার করেছে। তিনি বলেন, পরে আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং অপর দুইজনকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) মো. আশিকুর রহমান বলেন, শনিবার রাতে একজনকে এবং রোববার বেলা সাড়ে ১০টায় অপর একজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় আনা হয়। তাদের আঘাতের অবস্থা গুরুতর। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ছাবের আহমদ জানান, খবর পেয়ে আহতদের উদ্ধার করে কক্সবাজার হাসপাতালে ভর্তি করেছে স্থানীয়রা। সীমান্তে বিজিবি নিরাপত্তা জোরদার করেছে।
জেবি