দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ নার্গিস আকতারের পদত্যাগ ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন প্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষার্থীরা। শনিবার (৪ মে) সকালে কুমিল্লা কান্দিরপাড় পূবালী চত্বরে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময়, শিক্ষার্থীদের অভিযোগ থেকে জানা যায়, নিয়োগ বাণিজ্য, কলেজে ভর্তি অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ, উন্নয়ন ফি জালিয়াতি, প্রতিষ্ঠানের গাড়ি ক্রয়ে দুর্নীতি, নিজের নামে রেজিস্ট্রেশন, প্রাতিষ্ঠানিক কোনো রশিদ ছাড়াই অর্থ আদায় এবং আত্মসাৎ, এক্সট্রা কেয়ারের নামে শিক্ষার্থীদের অর্থ আত্মসাৎ, প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের ব্যক্তিগত কাজে ও বাসার কাজে ব্যবহার, শিক্ষার্থীদের ভর্তির সময় অতিরিক্ত অর্থ আদায়, জরিমানার নামে রিসিটবিহীন টাকা উত্তোলন এবং আত্মসাৎ, নিজের ইচ্ছেমতো শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ইনক্রিমেন্টসহ সুযোগ-সুবিধা কর্তন, শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট দিতে রশিদবিহীন অর্থ আদায়সহ আরও নানান অনিয়মের অভিযোগ উঠে এসেছে কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ নার্গিস আকতারের বিরুদ্ধে।
সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের এই অধ্যক্ষের এই অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। আর এতেই সমালোচনার মুখে পড়েছেন অধ্যক্ষ নার্গিস।
এ সময় মানববন্ধনে রাকিবুল ইসলাম নামের এক সাবেক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের প্রাণের প্রতিষ্ঠানকে দুর্নীতিমুক্ত দেখতে চাই। আমরা এই দুর্নীতি, অনিয়মের শিকার হয়েছি। আগামীতে যাতে আমাদের আর কোনো ছোট ভাই এর শিকার না হয়, তাই আমরা চাই অধ্যক্ষ নার্গিস অবিলম্বে পদত্যাগ করুক। আমরা প্রশাসনের কাছে এর বিচার চাই।
আরেক শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান বলেন, আমরা প্রতিষ্ঠানের সাবেক শিক্ষার্থী। আমাদের কাছ থেকে ফেইল করিয়ে ও এক্সট্রা কেয়ারের নামে বহু টাকা হাতিয়ে নিয়েছে অধ্যক্ষ ম্যাডাম। আমরা এর বিচার তখন চাইতে পারিনি ভয়ে। এখন, আমরা আমাদের সঙ্গে হয়ে যাওয়া দুর্নীতির বিচার চাই।
যদিও এসব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন অধ্যক্ষ নার্গিস। তিনি বলেন, আমি প্রতিষ্ঠানে অনেক দিন ধরে রয়েছি। সেই কারণে আমার বিরুদ্ধে পায়তারা হচ্ছে। আমি এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।
এদিকে, বেশ কয়েকজন অভিভাবক জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ করলেও তা এখনও তদন্তনাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা সামছুল তাবরেজ।
তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি আমাদের। তাই আমরা আরও গভীরভাবে তদন্ত করছি। খুব শীঘ্রই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেব।
জেবি