দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দুই মাস পর ইলিশ ধরার উৎসবে মেতে উঠেছেন ভোলার জেলেরা। আর এতেই কর্মব্যস্ত হয়ে পড়েছেন বেকার পড়েছেন জেলেরা। এতে সরগরম হয়ে উঠেছে আড়তগুলো।
জেলে পাইকার আর আড়তদারদের হাকডাকে মুখরিত মাছের ঘাট। জেলেদের যেন বসে থাকার সময় নেই। তারা জাল ট্রলার নৌকা নিয়ে ছুটছেন মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীতে।
তবে প্রথমদিন ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ না পেলেও যে পরিমান ইলিশ পাচ্ছেন তা নিয়ে সন্তুষ্ট অনেকেই। অনেকেই আবার হতাশ।
তবে বৃষ্টি হলে ইলিশের উৎপাদন আরও বাড়ার কথা জানিয়েছে মৎস্যবিভাগ।
ভোলার ইলিশা ঘিরে দেখা গেছে, আড়তে আড়তে ব্যস্ততা। কেউ মাছ নিয়ে ফিরছেন ঘাটে। কেউ ছুটছেন নদীতে। জেলে, পাইকার আর আড়তদারদের এমনি ব্যস্ততা ভোলার উপকূলের মৎস্যঘাটগুলোতে।
ইলিশের অভয়াশ্রম রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা থাকায় এতোদিন মাছ শিকারে যাননি ভোলার উপকূলের জেলেরা। মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) রাত ১২টার পর থেকে সেই নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় নদীতে ইলিশ ধরার উৎসবে মেতেছেন তারা। তাদের আহরিত ইলিশ ঘাটে বিক্রি হচ্ছে আর তাই মুখরিত হয়ে উঠেছে ইলিশের আড়ত।
তবে প্রথমদিন যে পরিমান ইলিশ পাচ্ছেন তা নিয়ে সন্তুষ্ট জেলেরা। অনেকেই ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছেন।
জেলে নোমান, সিরাজ, নোমান ও ইব্রাহিম বলেন, মাছ ধরা শুরু হয়েছে আমরা আনন্দিত, তবে কাঙ্খিত পরিমান মাছ জালে আটকা পড়ছে। সামনের দিকে আরও বেশি মাছ না পেলে ক্ষতি পুশিয়ে উঠতে পারবো না।
আড়তদার মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, নদীতে মাছের উৎপাদন আরও বাড়লে জেলেদের সংকট দূর হবে এবং জেলেরা সংকট কাটিয়ে উঠতে পারবেন।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব বলেন, বৃষ্টিপাত বাড়লে আগামী দিনগুলোতে ইলিশের পরিমান বাড়বে। এ বছর ইলিশ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৯৫ হাজার মেট্রিক টন। অভিযান সফল হওয়ায় আশা করছি লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে।
জেবি