দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পটুয়াখালীর পায়রা বন্দরে বারেক আকন (৩৫) নামের এক শ্রমিকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (৩১ মার্চ) দুপুরে লালুয়া ইউনিয়নের চিংগড়িয়া এলাকার প্রথম টার্মিনাল সংলগ্ন নির্মানাধীন ব্রিজ প্রকল্প এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মৃত বারেক পার্শ্ববর্তী তালতলী উপজেলার পূর্ব ঝাড়াখালী এলাকার সত্তার আকনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালে বারেক তার বাড়ি থেকে ওই প্রকল্প এলাকায় শ্রমিকের কাজ করতে আসে। সেখানে নদীতে কাজ করার পর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় বন্দর কর্তৃপক্ষ পুলিশকে অবহিত না করেই লাশ বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। পরে স্বজনরা তার বুকে আঘাতের চিহ্ন দেখে পুলিশে অবহিত করলে সকালে থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণ করে।
মৃত বারেক আকনের বড় ভাই আ. খালেক আকন জানান, আমার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। কারণ তারা তাড়াহুড়ো করে লাশ বাড়িতে নিয়ে এসেছে। আমরা তার বুকে আঘাতের চিহ্ন না দেখলে বুজতেই পারতাম না। তারা লাশ থানায় না নিয়ে তাড়াহুড়ো করে বাড়িতে নিয়ে আসল কেন? আমরা তাই এ হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই।
মৃতের ভাগিনা সোহাগ জানান, আমার মৃত মামার ছোট ছোট দুটি বাচ্চা রয়েছে, এখন তার পরিবার অসহায়। পায়রা বন্দরের ওই প্রকল্প এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী প্রকৌশলী মোহাইমিনুল চৌধুরী জানান, ওই শ্রমিকের লাশ বাড়ি পাঠানোর পর আমরা বিষয়টি জানতে পেরেছি। যার কারণে আর পুলিশে অবহিত করা হয়নি।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী আহম্মেদ বলেন, ওনারা আমাদের না জানিয়ে লাশ তালতলী বাড়ী পাঠিয়ে দেয়, আবার না জানিয়েই লাশ থানায় নিয়ে আসে।
সোমবার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এফএইচ