দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ছেলে এসএসসি পরীক্ষার্থী, এই তথ্য গোপন করে যশোর শিক্ষাবোর্ডের ইংরেজি প্রথমপত্রের প্রধান পরীক্ষক হয়েছেন এক প্রধান শিক্ষক। তিনি হলেন, চৌগাছা উপজেলার ঝাউতলা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আয়নাল হক। অথচ পরীক্ষক নিয়োগপত্রে স্পষ্ট বলা আছে সন্তান কিংবা পোষ্য পরীক্ষার্থী হলে প্রধান পরীক্ষক, পরীক্ষক ও নিরীক্ষক হতে পারবেন না। এই নিয়োগপত্রটি বাতিল হবে। তারপরও ইংরেজি প্রথমপত্রের উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য গ্রহণ করেছেন আয়নাল হক। এ নিয়ে সমালোচনা ঝড় বইছে।
জানা যায়, প্রধান শিক্ষক আয়নাল হকের ছেলে চৌগাছা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে চৌগাছা ছারা পাইলট বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। এরপরও তিনি তথ্য গোপন করে যশোর বোর্ডের ইংরেজি ১ম পত্রের প্রধান পরীক্ষক হয়েছেন এবং এরইমধ্যে বোর্ড থেকে খাতাও নিয়ে এসেছেন। গত ২০ ফেব্রুয়ারি বোর্ডের আওতাধীন সকল পরীক্ষক/প্রধান পরীক্ষক/নিরীক্ষকদের নিয়োগপত্র বোর্ডের ওয়েবসাইটে দিয়ে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের সেখান থেকে নিয়োগপত্রটি ডাউনলোড করে নিয়োগপত্রের উপরে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর নিয়ে বোর্ডে গিয়ে উত্তরপত্র আনতে হবে। আয়নাল হক নিজেই প্রধান শিক্ষক, নিজের প্রত্যয়ন নিজেই দিয়ে সন্তান পরীক্ষার্থীর তথ্য গোপন করেছেন। তিনি ইংরেজি ১ম পত্রের প্রধান পরীক্ষক হিসেবে মূল্যায়নের জন্য ৪শ' উত্তরপত্র গ্রহণ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে চৌগাছার শিক্ষকদের মধ্যে আলোচনা সমালোচনার ঝড় ওঠেছে।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আয়নাল হক বলেন, বিষয়টি আমি অবগত ছিলাম না। আপনার মাধ্যমে জানলাম। বিষয়টি বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রককে জানাব। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক যে সিদ্ধান্ত দেন সেটাই হবে।
এ বিষয়ে বক্তব্য নেয়ার জন্য যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. বিশ্বাস শাহিন আহম্মদের মুঠোফোনে একাধিকার কল করা হলেও রিসিভ হয়নি।
এফএইচ