দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঢাকার বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে একই পরিবারের পাঁচজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তাদের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে শাহবাজপুর গ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে, পরিবারেও চলছে শোকের মাতম। আত্মীয় স্বজন, পাড়া প্রতিবেশীসহ সকলেই নিহতের বাড়িতে এসে সান্ত্বনা দিচ্ছেন।
নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সৈয়দ মোবারক হোসেন কাউসার (৪২) দীর্ঘদিন ইতালিতে ব্যবসা করতেন। মাসখানেক আগে ইতালি থেকে দেশে এসেছিলেন তিনি। ইতালিতে স্থায়ীভাবে (গ্রিন কার্ড) থাকার সুযোগ পেয়েছেন। সম্প্রতি স্ত্রী ও তিন সন্তানদের সেখানে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ভিসাও হয়ে গিয়েছিল সবার। কিন্তু ইতালি আর যাওয়া হলো না তাদের। বেইলি রোডের আগুনে পুড়ে স্ত্রী-সন্তানসহ মারা গেছেন মোবারক (পরিবারের ৫ সদস্যের মৃত্যু)।
স্বজনরা জানান, সবাইকে নিয়ে ডিনার করতে গিয়েছিলেন মোবারক। সঙ্গে ছিল স্ত্রী স্বপ্না, দুই মেয়ে সৈয়দা কাশফিয়া ও সৈয়দা নূর এবং একমাত্র ছেলে সৈয়দ আব্দুল্লাহ। আগুনে পুড়ে সবাই মারা গেছেন। ঘটনাটি একেবারে মর্মান্তিক। পরিবারটি শেষ হয়ে গেলো। এরকম দুর্ঘটনা যেন আর কারও পরিবারের না হয়।
নিহতের কাউসারে মা সৈয়দ হেলেনা বেগম বলেন, আমার ছেলেসহ পুরো পরিবার আগুনে পুড়ে শেষ হয়ে গেছে। আমি বেঁচে থেকে আর কি করুম। আমার ছেলে রেখে আল্লাহ আমারে নিয়ে যাইত গা। আমি এই শোক সইব কি করে।
পুরো পাঁচজনের কবর বাড়ির পাশে একটি কবর স্থানে খোড়া হচ্ছে। মরদেহগুলো ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসার পর বাদ আসর নামাজের পর জানাযা শেষে দাফন করা হবে।
নিহত সৈয়দ মোবারক হোসেন কাউসার পরিবারের তিন ভাই এক বোনের মধ্যে সে দ্বিতীয়।
বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে বেইলি রোডে একটি বহুতল ভবনে আগুন লাগে। এতে অন্তত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এফএইচ