দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ভাষা আন্দোলনের ৭২ বছর পেরিয়ে গেলেও ঝিনাইদহের মহেশপুরে ১৭২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শহিদ মিনার ছাড়াই পালিত হচ্ছে শহীদ দিবস।
সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, মহেশপুর উপজেলায় ১৫২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ১২টিতে শহিদ মিনার আছে। ৪৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৭টিতে, ছয়টি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে একমাত্র গাজীরননেছা বালিকা বিদ্যালয়ে শহিদ মিনার রয়েছে। ১০টি কলেজের মধ্যে ৯টিতে শহিদ মিনার আছে। কিন্তু উপজেলার ২৫টি মাদরাসার মধ্যে ৫টিতে শহিদ মিনার রয়েছে। মোট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ২৩৬টি। শহিদ মিনার রয়েছে ৬৪টিতে। ১৭২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শহিদ মিনার নেই। গত দুই বছরে শহিদ মিনার তৈরি হয়েছে ২২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।
মহেশপুরে প্রথম শহিদ মিনার নির্মিত হয় মহেশপুর মডেল পাইলট সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১৯৬৯ সালে। তৎকালীন মহেশপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ওয়ালিউল্লা ইসলাম ও থানা ম্যাজিস্ট্রেট আজিজুর রহমান নেতৃত্ব দেয়।
যুদ্ধের সময় পাকিস্তান বাহিনীর মেজর আব্বাস তা ভেঙে দেয়। দীর্ঘকাল শহিদ মিনার ছিল না।
১৯৮৪-৮৫ সালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আনিচউদ্দিন মিয়া উপজেলার জেলা পরিষদের অর্থায়নে পুনরায় শহিদ মিনার নির্মাণ করেন।
মহেশপুর মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দীনেশ চন্দ্র পাল জানান, শহিদ মিনার নির্মাণের জন্য সরকারের উচ্চমহলে পত্র পাঠানো হয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শহিদ মিনার নির্মাণ করার তাগিদ দেওয়া হচ্ছে।
মহেশপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ময়জদ্দীন হামীদ বলেন, পরিকল্পনা করে পর্যায়ক্রমে সব প্রতিষ্ঠানে শহিদ মিনার নির্মাণ করে দেওয়া হবে।
জেবি