দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

যশোর মেডিকেল কলেজের (যমেক) আউট সোর্সিংয়ে নিয়োগকৃত ৩৫ জন কর্মচারী সাত মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না। নিয়োগসংক্রান্ত জটিলতা ও কলেজের উন্নয়ন ফান্ড সংকটের কারণে এসব কর্মচারীরা বেতন পাচ্ছেন না।
কলেজ প্রশাসন বলছে, ৩৫ জনের মধ্যে সম্প্রতি ১৭ জনের উন্নয়ন খাতে তালিকাভুক্ত হয়েছে। ফান্ডে পর্যাপ্ত অর্থছাড় হলে তাদের বেতন দেওয়া হবে। এদিকে, দীর্ঘদিন কাজ করে এখনও বেতন ভাতা না পাওয়ায় পরিবারপরিজন নিয়ে মানবেতার জীবন যাপন করছেন তারা।
জানা যায়, ৪ বছর আগে সরকার আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে যশোর মেডিকেল কলেজে ৬৫ জন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ করে। যার ঠিকাদারের দায়িত্বে রয়েছেন ফিরোজ আলম। এর মধ্যে গেল বছরের জুলাই থেকে ৩০ জনকে রাজস্ব খাতে যুক্ত করা হয়। আর বাকি ৩৫ জনকে উন্নয়ন ফান্ডে অর্থ না থাকার কারণে বাদ দেওয়া হয়। কিন্তু কলেজে কর্মচারী সংকট প্রকট দেখাতে বাদ দেওয়া ৩৫ জনের মধ্যে ১৭ জনকে উন্নয়নখাতভুক্ত করা হয়। আর ১৮ জনকে বলা হয় আগামী রাজস্বকরণ সময়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খাতভুক্ত করা হবে। কলেজ অধ্যক্ষের এমন প্রস্তাবনাতে এই ১৮জন অনিশ্চিতভাবে কাজ করছেন। সব মিলিয়ে রাজস্বখাতভুক্ত ১৭ জন আর বাতিল হওয়ার পরেও কাজ করা ১৮ জন মোট ৩৫ জন গত সাত মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না। যার ফলে এসব কর্মচারীরা পরিবারপরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
কলেজের একাধিক কর্মচারী জানিয়েছেন, তারা নিয়মিত কলেজে কাজ করলেও গত সাত মাস ধরে তারা বেতন পাচ্ছেন না। এত পরিবার নিয়ে অসহায় অবস্থায় দিন পার করছেন। আর মাত্র কয়েক দিন পর রমজান, ঈদ, ঠিকাদারকে বারবার তাগাদা দেওয়া হলেও তিনি আমলে নিচ্ছেন না।
এই বিষয়ে কয়েক দফা ঠিকাদার ফিরোজ আলমের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
যশোর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান খান জানান, ৩৫ জন বেতন পাচ্ছে না। ৩৫ জনের মধ্যে ১৭ জনকে উন্নয়ন খাতে অনুমতি পাওয়া গেছে। বাকিদের খাতভুক্ত থেকে বেতন দেওয়ার অনুমতি করার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, ১৮ জনকে বাতিল করা হয়। কিন্তু অনেক দিন ধরে তারা কাজ করছেন; তারাও কাজ করতে চায়। তাই তাদের বলা হয় সামনে রাজস্বখাতভুক্ত থেকে বেতন দেওয়ার অনুমতি মিললে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বেতন দেওয়া হবে এই মর্মে তারা কাজ করছেন। যে ১৭ জনের উন্নয়ন খাত থেকে বেতন দেওয়ার অনুমতি মিলেছে; তাদের দুই মাসের বেতন এই ১৮জনের মাঝে বণ্টন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জেবি