দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মানিকগঞ্জ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের পশ্চিম পাশের ১০টি অস্থায়ী দোকানগুলোকে ভয়ভীতি দেখিয়ে উচ্ছেদের অভিযোগ উঠেছে জেলা শ্রমিক লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। তবে শ্রমিক লীগ নেতারা বলছেন, মহাসড়কে যানজট নিরসন, যাত্রী ভোগান্তি দুর করতে ও যানবাহনগুলোকে টার্মিনালমুখী করতে অস্থায়ী দোকানগুলোর মালিকদের বলা হলে তারা নিজেরাই সেগুলো সরিয়ে নিয়েছেন।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলা শ্রমিক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম নবুকে জিজ্ঞাসাবাদের সদর থানায় নিয়ে আসে সদর থানা পুলিশ।
এর আগে বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন টার্মিনালের পাশে ভয়ভীতি দেখিয়ে অস্থায়ী দোকানপাট উচ্ছেদের অভিযোগ উঠে। ব্যবসায়ীদের দাবি, তাদের অন্য একটি স্থানে তাদের ব্যবসা চালানোর সুযোগ না করে এভাবে সরে যেতে বলায় অনেকটা অসহায় হয়ে পড়েছেন তারা।
জানা যায়, মহাসড়ক বর্ধিত হওয়ার কারণে হকার্স মার্কেট উচ্ছেদের পর এসব নিম্ন আয়ের ব্যবসায়ীরা ফুটপাতে কেউ কেউ ৫ থেকে ১০ বছরের বেশি সময় ধরে ব্যবসা করে আসছেন। সম্প্রতি শ্রমিক লীগ নেতারা পৌরসভার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের আশপাশে যানজট মুক্ত রাখতে এবং লোকাল যানবাহন রাখার দোহাই দিয়ে তাদের দোকানপাট সরাতে চাপ প্রয়োগ করে। পরে শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতেই মালিকরা বাধ্য হয়েই তাদের দোকানপাট সরাতে হয়েছে।
সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদুল ইসলাম জাহিদ বলেন,এখানে বাইরের কেউ ব্যবসা করে না, সবাই স্থানীয় লোকাল লোকজন । ভাসমান এসব ব্যবসায়ীদের কথাও বিবেচনা করা উচিৎ ছিলো।
পৌর টার্মিনালের ইজারাদার কোরাইশী এন্টার প্রাইজের মালিক এম এ ইরাদ কোরাইশী ইমন বলেন, আমি শুনেছি টার্মিনালের আশপাশে যানজট মুক্ত রাখতে এবং লোকাল যাত্রীবাহী যানবাহন রাখতে ভাসমান দোকানগুলো সরানো হয়েছে। এছাড়া পৌর টার্মিনালের জন্য নিদিষ্ট কোনো জায়গা আমাদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি।
মানিকগঞ্জ জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি বাবুল সরকার বলেন, মহাসড়কে যানজট নিরসন, যাত্রী ভোগান্তি দুর করতে ও যানবাহনগুলোকে টার্মিনালমুখী করতে অস্থায়ী দোকানগুলোর মালিকদের বলা হলে তারা নিজেরাই সেগুলো সরিয়ে নিয়েছেন। কোন প্রকার জোর, হুমকি, কিংবা ভাংচুর করা হয়নি।
মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এফএইচ