দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ফরিদপুরের সালথায় একই রাতে দুই গ্রামে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে পৃথকভাবে দুটি গ্রামে এই ডাকাতি সংগঠিত হয়।
প্রথমে উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের হরিনা গ্রামে সাইফুর মোল্লার বাড়িতে রাত সাড়ে বারটার দিকে বিল্ডিংয়ের পাশে থাকা গাছ বেয়ে ভেতরে ঢুকে দরজা ভেঙ্গে বাড়ির সদস্যদের উড়না দিয়ে হাত-পা বেঁধে লেপের নিচে ডেকে রেখে ৭-৮ জনের সঙ্গবদ্ধ ডাকাত দল ওয়ারড্রব ভেঙে ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, নগদ এক লাখ টাকা ও মোবাইল সেটসহ প্রায় ১২ লাখ টাকার মালামাল লুটে নেয় ডাকাত দল।
পরে রাত আড়াইটার টার দিকে একই উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের চাঁদপুর গ্রামের আতিকুর রহমানের বাড়িতে ৭-৮ জনের ডাকাত দল ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে ডুকে প্রথমে আতিকুরের ছেলে সাইদুরকে ধরে এতে সাইদুর চিৎকার দিলে মারধর করে তাকে হাত-পা বেঁধে ফেলে। পাশের রুমে থাকা আতিকুরকে গিয়েও হাত-পা বাঁধে ডাকাত দল।
আতিকুর রহমানের ছেলে সাইদুর রহমান বলেন, আমাদের ঘরের কাপড়চোপড়সহ সব ধরনের মালামাল লুটে নেওয়ার পর আমার বড় ভাইয়ের ছেলে বাচ্চা মানুষ আমাদের ঘরে ওর দাদুর কাছে থাকে ওকে অস্ত্রের মুখে উঠিয়ে ওর মার ঘরের সামনে গিয়ে ওর মাকে ডাকতে বাধ্য করে। ওর মা এতো রাতে ছেলের ডাক শুনে ঘরের দরজা খুলতেই ৫-৬ জন ঘরে ঢুকে যায়। ওর মা চিৎকার দিতেই একজন অস্ত্র ঠেকিয়ে ধরে। তারপর সারা ঘর তছনছ করে সব কিছু লুটে নেয়। প্রায় এক ঘণ্টা তারা এই তাণ্ডব চালায়। ছয়টি মোবাইল সেট সোনার গহনা ও নগদ ৩৫ হাজার টাকাসহ প্রায় ৩ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায়।
খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে সালথা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরে সকাল ১১টার দিকে ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( অপরাধ তদন্ত ক্রাইম বিভাগ) পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রাপ্তি শৈলেন চাকমা দুটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। আমরা এই ডাকাতির ঘটনা নিয়ে অলরেডি কাজ শুরু করেছি। আশা করি দ্রুতই এই ডাকাত চক্র আইনের আওতায় আসবে। এখনও কোনো লিখিত অভিযোগ থানায় দেয়নি কেউ। অভিযোগ হলে মামলা হবে। আমরা মামলা ভিত্তিতে আরও ব্যাপকভাবে কাজ করতে পারব।
জেবি