দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের রেজিস্টারে ভর্তির ঠিকানা অনুযায়ী আলমডাঙ্গা উপজেলার কেষ্টপুর গ্রামের আলমগীরের স্ত্রী পাপিয়া খাতুন (২৫) নামের এক মা তার সদ্য ভূমিষ্ঠ নবজাতক সন্তানকে ফেলে পালিয়ে গেছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পাপিয়া খাতুনকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরেই হাসপাতালের ইমারজেন্সি ওয়ার্ডে কন্যা সন্তান প্রসব করেন। পরবর্তীতে কর্তব্যরত চিকিৎসক গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি করেন এবং সকাল ৮ টার দিকে ঘটে বিপত্তি। সদ্য ভূমিষ্ঠ কন্যা সন্তানটি গাইনী ওয়ার্ডে ফেলে পালিয়ে যায়। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করার পরও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় জানায়।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, আমরা বিষয়টি জেনেছি। খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। পরবর্তীতে অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রথমে সদ্য ভূমিষ্ঠ কন্যা সন্তানটি একই উপজেলার ছত্রপারা গ্রামের রেজাউল করিমের স্ত্রী বিলকিস বানুর হেফাজতে ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিষয়টি শুনে তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং সমস্ত ঘটনা শোনার পর বর্তমানে শিশুটিকে গাইনি ওয়ার্ডের বর্তমান ইনচার্জ এর হেফাজতে দেন।
এদিকে বিলকিস বানুর স্বামী রেজাউল করিমের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, আমাদের হেফাজতে ছিল পরবর্তীতে ইউএনও স্যার শিশুটিকে গাইনী ওয়ার্ডের ইনচার্জ হেফাজতে রেখেছেন। তিনি আরও বলেন, যদি বাচ্চাটি আমরা নিতে চাই তাহলে আগামীকাল চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করব।
এফএইচ