দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

চতুর্থ দিনে চলছে পাটুরিয়া ডুবে যাওয়া ফেরি রজনীগন্ধার উদ্ধার অভিযান। গত ৩ দিনের অভিযানের সফলতা মাত্র তিনটি ট্রাক উদ্ধার। এখনও উদ্ধার করতে পারেনি ছয়টি ট্রাক ও নিখোঁজ ফেরির সহকারী মাস্টার হুমায়ুনের সন্ধান।
শনিবার (২০ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় চতুর্থ দিনের উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেন উদ্ধারকারী প্রতিনিধিরা।
এর আগে শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর সোয়া দুটার দিকে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায়।
ডুবে যাওয়া ফেরিতে থাকা ট্রাকের চালক, মালিক ও ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, তৃতীয় দিনের দুপুর গড়ালেও এখন পর্যন্ত কোনো যানবাহন উদ্ধার করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। এমন ঢিলেঢালাভাবে উদ্ধার অভিযান চালালে কতদিন লাগবে তার কোনো হিসেব নাই।
বুধবার দুটি ট্রাক ও বৃহস্পতিবার মাত্র একটি ট্রাক উদ্ধার করা হয়েছে। তিন দিন কী অর্জন করল বুজতে পারছি না। এই তিন দিনে তারা কী অর্জন করেছে তা বুঝতে পারছি না। এছাড়া ডুবে যাওয়া যানবাহনে পচনশীল পণ্য রয়েছে। এতদিনে সব নষ্ট হয়ে হয়ে গেছে। একে নি:স্ব হয়ে গেছেন বলেও তারা আহাজারি করেন। তাদের যেন সরকারিভাবে সহযোগিতা করা হয় তার দাবিও জানান তারা।
মানিকগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মো. আব্দুল হামিদ বলেন, আমরা এ পর্যন্ত তিনটি ট্রাক উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। বাকি ছয়টি ট্রাক ও নিখোঁজ ফেরির সহকারী মাস্টার হুমায়ুনকে শনাক্ত করতে পারিনি।
বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর লেফটেন্যান্ট শাহ পরান ইমন বলেন, নৌ বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও বিআইডব্লিউটিসির উদ্ধারকারী দল একসঙ্গে কাজ করছে।
বিআইডব্লিট এর চেয়ারম্যান কমডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফা বলেন, উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় পাটুরিয়া ঘাটে আসার পর পজিশন নিয়ে ফেরি উদ্ধারের কাজ চলছে।
প্রসঙ্গত, গত বুধবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে আটটার দিকে পাটুরিয়ার ৫ নম্বর ফেরিঘাটের কাছে ৯টি ট্রাক নিয়ে ফেরি রজনীগন্ধা ডুবে যায়। এ সময় ২০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও এখনও নিখোঁজ রয়েছে ফেরির সহকারী ইঞ্জিন চালক হুমায়ুন কবির।
জেবি