দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

চুয়াডাঙ্গায় তীব্র শীতের সঙ্গে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়েছে। এতে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। বিপাকে পড়েছেন জেলার সাধারণ মানুষজন। বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) এ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে বৈরী আবহাওয়ার কারণে জেলার সকল মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
চুয়াডাঙ্গাতে বেশ কয়েক দিন টানা মৃদু শৈতপ্রবাহ চলমান ছিল। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিস পূর্ভাবাস দিচ্ছিলো ১৭, ১৮ ও ১৯ জানুয়ারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
অবশেষে ১৮ জানুয়ারি ভোর ৫টা ৪৫ মিনিট থেকে সকাল ৮টা ১০ মিনিট পর্যন্ত গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিপাত হয়। এ সময় গড় বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় ১৯ দশমিক ৪ মিলিটার।
চুয়াডাঙ্গা জেলা শিক্ষা অফিসার আতাউর রহমান টানা শৈতপ্রবাহ ও টানা মৃদু শৈতপ্রবাহের কারণে জেলার সব মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা শিক্ষা অফিস।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানান, আমাদের না জানানোর কারণে দুর্ভোগের শিকার হয়েছি। আবার অনেক অভিভাবকই জানান হুট করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা শিক্ষার্থীদের জন্য ক্ষতিকর।
চুয়াডাঙ্গা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মাসুদুজ্জামান জানান, যেহেতু স্কুল ছুটির পরে ছুটির নোটিশ পেয়েছেন সেক্ষেত্রে তারা শিক্ষার্থীদের ক্লাসে জানাতে না পারলে যেকোনো মাধ্যমে চেষ্টা করছে জানানোর। তারপরও অনেক শিক্ষার্থী স্কুলে আসছে। সেক্ষেত্রে তাদের বাড়িতে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গায় থেমে থেমে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ প্রবাহিত হচ্ছে। শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, শনিবার ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, রোববার ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল। তাপমাত্রা সোমবার ও মঙ্গলবার কিছুটা বেড়ে ১০ দশমিক ৯ ও ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলেও বুধবার তা আবার নেমে আসে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
আজ সকাল ছয়টায় এ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সকাল ৯টায় একই তাপমাত্রা ছিল। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৪ শতাংশ।
বৃহস্পতিবার সকালে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, তীব্র শীত আর গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে মানুষ খুব একটা বাইরে বের হয়নি। সড়কে যানবাহন চলাচলও অনেক কম। এই বৈরী আবহাওয়ায় সবচেয়ে বেশি কষ্টে রয়েছেন নিম্নআয়ের মানুষ। দিনের শুরুতে এমন বৃষ্টি তাদের কাজে বাগড়া দিয়েছে। ফলে একপ্রকার অলস সময় পার করছেন তারা।
জেবি