দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিজ বসতঘর থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ক্যাম্পের সাবেক মাঝি করিম উল্লাহকে (৩৭) গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
নিহত যুবক মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আরসার সাবেক সদস্য হিসেবে পরিচিত। দল থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় তাকে আরসার সন্ত্রাসীরা ধরে নিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) রাত সাড়ে আটটার দিকে উখিয়া কুতুপালং ক্যাম্প-২০ এ ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন ক্যাম্পে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. ইকবাল।
নিহত করিম উল্লাহ (৩৭) উখিয়ার কুতুপালং ২০ নম্বর ক্যাম্পের সাবেক মাঝি ও ব্লক-এম/২৭ এর মৃত গনি মিয়ার ছেলে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে অধিনায়ক মো. ইকবাল বলেন, শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জন মুখোশধারী ক্যাম্প-২০, ব্লক - এম/২৭ এর মাঝি রোহিঙ্গা করিম উল্লাহকে (৩৭) নিজ শেড থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে শেডের সামনেই দা দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। পরে তাকে ফেলে রেখে বিভিন্ন গলিপথ দিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। হত্যাকারীরা সবাই আরসার সদস্য বলে ধারণা সাধারণ রোহিঙ্গাদের। স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে নিহত করিম পূর্বে আরসার সক্রীয় সদস্য ছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি আরসা থেকে অব্যাহতি নেন এবং মিয়ানমারের আরেক বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আরএসও’র সোর্স হিসেবে কাজ করছিলেন। আরএসওকে আরসা সদস্যদের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য প্রদান করায় আরসা সন্ত্রাসীরা করিমকে হত্যা করে বলে প্রচার পায়।
অপরদিকে নিহত রোহিঙ্গা করিম উল্লাহর বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় ওয়ারেন্টও ছিল।
ঘটনার খবর পেয়ে কুতুপালং এপিবিএন ক্যাম্পের পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রাখে। পরবর্তীতে উখিয়া থানা পুলিশের একটি টিম মরদেহের সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠায়। ক্যাম্প এলাকায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন অধিনায়ক।
জেবি