দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ময়মনসিংহের ভালুকায় কয়েলের আগুনে মায়ের সঙ্গে দগ্ধ হওয়া দুই শিশুর চার পা কেটে ফেলার পরেও বাঁচলো না জাফরান (৫) ও আট মাস বয়সী মায়ানের জীবন। বড় বোন জাফরানের মৃত্যুর চারদিন পর ৮ মাস বয়সী শিশু মায়ানেরও মৃত্য হয়েছে। একই হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন মা মনি আক্তার।
শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার দিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় মায়ান। এর আগে গত ২৪ ডিসেম্বর (রোববার) দিবাগত রাতে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় জাফরান।
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহ কামাল আকন্দ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পরিবার ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, গত ৯ ডিসেম্বর রাতে খাদ্য গুদামে ডিউটিতে ছিল রবিন মিয়া। এদিকে, রাতের খাওয়া শেষে মনি আক্তার কয়েল জ্বালিয়ে দুই সন্তানকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। ভোরের দিকে ঘর থেকে মনি আক্তারের চিৎকার শুনে ও ঘরে আগুন জ্বলতে দেখে লোকজন ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন আহত অবস্থায় ২ শিশুসহ ৩ জনকে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়।
সেখানে থেকে রোববার (১০ ডিসেম্বর) রাতে জাফরান ও মায়ানের চার পা কেটে ফেলা হয়। পা কেটে ফেলার পর তারা ওই হাসপাতালে চিকিধসাধীন ছিলেন। পরে গত ২৪ ডিসেম্বর রাতে জাফরান মারা যায়। এর চারদিন পর শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় মায়ানও মারা যায়। তাদের মা মনি আক্তার আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
নিহত শিশুদের বাবা রবিন মিয়া বলেন, একে একে আমার দুই সন্তান আমাকে ছেড়ে চলে গেল। আপনারা তাদের জন্য দোয়া করবেন।
ওসি মোহাম্মদ শাহ কামাল আকন্দ বলেন, কয়েলের আগুনে দগ্ধ ২ শিশু মারা গেছে। ওই ২ শিশুর মা আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
কে