দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ভারতীয় পেঁয়াজের রপ্তানি বন্ধের খবরে অস্থির হয়ে উঠেছে দেশি পেঁয়াজের বাজার। সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে পেঁয়াজ। পেঁয়াজ কিনতে গিয়ে হিমসিম খেতে হচ্ছে সবাইকে।
যে পেঁয়াজ শনিবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে শহরের স্টেশন বাজার ও নিচাবাজারে বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ১১০ টাকা বিকেলে সেই পেঁয়াজের দাম বেড়ে হয়েছে ১৮০টাকা থেকে ২০০ টাকা। ভোক্তা অধিকারের অভিযানেও কোনো ফল হচ্ছে না। ক্রেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন তারা পেঁয়াজের বাজারের এই অস্থিরতা দেখে হতভম্ভ।
সকালে যে পেঁয়াজের কেজি ১১০ টাকা থেকে ১২০ টাকা সেখানে বিকেলে সেই পেঁয়াজ ২০০ টাকা থেকে ২২০ টাকা। এটা কি ধরনের সিন্ডিকেট। দাম বাড়লে কেজি প্রতি ১০ টাকা থেকে ২০ টাকা বাড়তে পারে। এ ব্যাপারে সরকার ও প্রশাসনের নজরদারি করা উচিত।
তারা বলছেন, পেঁয়াজ কিনতে এসে মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে। পেঁয়াজের বাজার আকাশ-পাতাল তফাত। যেখানে বাড়ি থেকে দুই কেজি পেঁয়াজ কিনতে বলেছে সেখানে কিনছেন আধা কেজি। মোবাইল কোর্ট বাজারে এলে দাম কমছে আবার চলে গেলে দাম বেড়ে যাচ্ছে। আর সাধারণ বিক্রেতারা বলছেন পেঁয়াজের এই বাজার সিন্ডিকেটের কারণে হয়েছে।
ভারতীয় পেঁয়াজ আসা বন্ধের খবরে রাতারাতি বড় ব্যাবসায়ীরা পেঁয়াজ সরিয়ে দিয়ে দাম বেশি চাচ্ছে। তারা পেঁয়াজ কিনতে গিয়ে পাচ্ছেন না। দেশি পেঁয়াজ পুরাতন আছে আবার নতুনও উঠেছে। এত দাম বাড়ার কোনো কারণ নেই।
যারা ১০ কেজি ২০ কেজি কিনে এনে বিক্রি করছে তাদের ধরে কোনো লাভ নেই। ধরতে হবে বড় ব্যবসায়ীদের যারা হাজার মণ বা পাঁচ হাজার মণ পেঁয়াজ রেখেছে তাদের। তারা যখন কিনতে যাচ্ছেন তখন আড়ৎদারার বলছে ১৯০ টাকা কেজি পেঁয়াজ নিলে নাও না হলে নিওনা। তারা আগে যেখানে পাঁচ বস্তা পেঁয়াজ বিক্রি করেছেন সেখানে এক বস্তা পেঁয়াজও বিক্রি করতে পারছেন না। তারাও প্রশাসনের কাছে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করলেন।
জেবি