দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামের আলোচিত ঝুমন দাসকে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ব্যাপারে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে শাল্লা থানায় নিজেই বাদী হয়ে অভিযোগ দায়ের করেন ঝুমন দাস।
অভিযোগে বলা হয়, ঝুমন দাস ২০২২ সালে খান বাহাদুর এহিয়া ওয়াকফ এস্টেট ও সিলেট বিভাগীয় কমিশনানের মোতাওয়াল্লি কার্যালয় থেকে শাল্লার ছন উল্লারখাল জলমহাল ১৪ লাখ পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে ইজারা নেন।
এ সময় তিনি এই জলমহালের মালিকানা বিভিন্ন মানুষের কাছে শেয়ার হিসেব বণ্টন করেন এবং যার প্রমাণ চুক্তিপত্রও তার কাছে রয়েছে বলে জানানো হয়।
তবে গেল ৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় তার নিজ গ্রাম নোয়াগাওয়ের শৈলেন দাস (৪৫), রুপেশ দাস (৩৫), লোকেশ দাসসহ (৪২) নিজ গ্রামের আরও কয়েকজন এসে হঠাৎ করে জলমহালের মালিকানার টাকা দাবি করে বসে। ঝুমন দাস তাদের জানান জলমহালের ব্যাপারে কোনো টাকা দেওয়া হয়নি জানালে বিবাদীরা উত্তেজিত হয়ে ঝুমন দাসকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে এবং ঝুমন দাসকে যে জায়গায় পাওয়া যাবে সেখানেই হাত-পা ভেঙে পঙ্গু করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।
এ ব্যাপারে ঝুমন দাশ বলেন, জেল থেকে বের হওয়ার পর থেকেই আমি বেকার ছিলাম। পরে জীবিকা নির্বাহের জন্য আমি একটি জলমহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেই।
তবে আমার কাছে এতো টাকা না থাকায় কয়েকজনের কাছে শেয়ার হিসেবে মালিকানা দেই। যাদের দিয়েছি তাদের সঙ্গে আমার চুক্তিনামাও আছে।
তবে আমাকে আমার গ্রামেরই শৈলেন দাস, রুপেশ দাস, লোকেশ দাসসহ আরও কয়েকজন আমাকে হাত-পা ভেঙে পঙ্গু করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। যার কারণে আমি এবং আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমি থানায় অভিযোগও দায়ের করি।
শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, ঝুমন দাস গত বৃহস্পতিবার থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। তার প্রেক্ষিতে একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তদন্তের জন্য।
জেবি/এম