দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বাগেরহাটে পেঁয়াজের দাম ছিল ১০০ টাকা। রাত পোহাতেই সেই পেঁয়াজ ১৯০ থেকে ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এক রাতের ব্যবধ্যানে মোংলায় পেঁয়াজের কেজি বেড়েছে ১০০ টাকা থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত। এরপরেও আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলেও জানায় ব্যাবসায়ীরা।
যদিও এ পেঁয়াজ ব্যবসায়ীদের কেনা রয়েছে দাম বৃদ্ধি ও সিন্ডিকেটের কৃত্রিম সংকটের আগেই। নানা অজুহাত দেখিয়ে ব্যবসায়ীরা আগের দামে কেনা পেঁয়াজ তারা যে যার মতো করে ১২০ টাকার জায়গায় ১৬০, ১৭০, ১৮০, ১৯০ ও ২০০টাকা দরে বিক্রি করছেন।
ক্রেতারা জানায়, শনিবার সকালে হঠাৎ করে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে মোংলার বাজারে। শুক্রবার যে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১০০ থেকে ১১০ টাকায় সেই পেঁয়াজ রাতের ব্যবধানে শনিবার সকালে দাম বাড়িয়ে বিক্রি করা হচ্ছে ১৮০ টাকা পর্যন্ত।
শনিবার সকালে বাজারে এসে পেঁয়াজের দাম শুনে চোখ যেন মাথায় উঠে গেছে ক্রেতাদের। বাড়তি দাম শুনে কেউ পেঁয়াজ না নিয়ে ফিরে যাচ্ছেন। আবার কেউ সাধ্যমতো স্বল্প পরিমাণ পেঁয়াজ কিনে বাড়ি ফিরছেন। যদিও পেঁয়াজ নিত্যপ্রয়োজনীয় তাই দাম বাড়লেও বাধ্য হয়েই ক্রেতাদের কিনতে হচ্ছে। এ নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে রয়েছে ক্ষোভ, দামদর নিয়ে বাকবিতণ্ডাও ঘটছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে। ক্রেতারা বলছেন, এখন নতুন পেঁয়াজ উঠছে ও উঠবে। তাহলে দাম বাড়বে কেন?
ক্রেতা দিমজুর জোবায়েত হোসেন বলেন, ১০০ টাকার পেঁয়াজ এখন ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। আমরা গরিব মানুষ কিভাবে এতো বেশি দামে পেঁয়াজ কিনে খাব। অন্যান্য মালামালের দামও বেশি। আমাদের পরিবার চালাতে খুব কষ্ট হচ্ছে।
ক্রেতা জাহাজ শ্রমিক আকবার আলী বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে আধা কেজি পেঁয়াজ কিনেছি ১১০ টাকা দরে। শনিবার বাজারে পেঁয়াজ কিনতে এসে দেখি ২০০ টাকা কেজি। আজ আর পেঁয়াজ কিনতে পারিনি। ব্যবসায়ীদের বরাত দিয়ে তারা বলছেন, আমদানি বন্ধের কারণে নাকি দাম বেড়েছে।
ক্রেতা বাদল মিয়া বলেন, ১০৫-১১০ টাকার পেঁয়াজ এখন ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা হয়েছে। যা মূলত আমাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে।
আর বিক্রেতারা বলছেন, এলসি বন্ধ, সরবরাহ কম তাই দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তারা আরও বলছেন খুলনার মোকামে পেঁয়াজ নেই। যা আছে তারও দাম বেশি। আমরা কী করব।
পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রহিম হাসান বলেন, দাম বাড়ায় পেঁয়াজ বিক্রি করতে পারছি না। ক্রেতারা বলছেন ডাকাতি করছি নাকি। তিনি আরও বলেন, খুলনায় পেঁয়াজের কেজি ১৬০ টাকা, আর খরচ মিলিয়ে আমাদের বিক্রি করতে হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়।
জেবি