দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর তীরে তিন দিনব্যাপী আঞ্চলিক ইজতেমা শুরু হয়েছে। এবারও প্রতি বছরের মতো সিরাজগঞ্জ পৌরসভার রানীগ্রাম এলাকায় ৬০ বিঘা জায়গাজুড়ে এই ইজতেমা শুরু হয়েছে।
শুক্রবার ( ৮ ডিসেম্বর ) জুম্মা নামাজের মধ্য দিয়ে ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা শুরু করা হয়েছে।
সিরাজগঞ্জের তাবলিগ জামায়াতের (নিজাম-সাদ অনুসারী) উদ্যোগে আয়োজিত এ ইজতেমায় বিপুলসংখ্যক মুসল্লির আগমন ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানান।
এই ইজতেমায় মূলত সিরাজগঞ্জ জেলায় বসবাসকারী মুসল্লিরা অংশ নিয়েছেন।
মেহমান হিসাবে রয়েছেন জেলা পাবনা, বগুড়া, নাটোর, নওগাঁ, টাঙ্গাইল ও নোয়াখালী তাবলিগ জামায়াতের মুরুব্বিরা।
এছাড়া ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো ও শ্রীলংকা থেকে আসা কয়েকটি তাবলিগ জামায়াতের সদস্যরা এই ইজতেমায় অংশ নিয়েছেন বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন। প্রথম দিনে কাকরাইল মসজিদের জিম্মাদার সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম ও মুফতি ওসামা ইসলাম বয়ান করেন।
আগামী রোববার (১০ ডিসেম্বর) আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী এই ইজতেমা শেষ হবে।
ইজতেমা পরিচালনা কমিটির সদস্য ডা. এস এম নাজিম উদ্দিন জুয়েল জানান, যমুনা নদী তীরে নিরিবিলি পরিবেশে তৈরি করা হয়েছে বিশাল প্যান্ডেল।
সিরাজগঞ্জের ৯টি উপজেলার জন্য আলাদা আলাদা স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। ইজতেমায় মুসল্লিদের জন্য স্যানিটেশন ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও ওজুখানার ব্যবস্থা রয়েছে।
একটি মেডিকেল টিম সার্বক্ষণিক স্বাস্থ্য সেবা দিচ্ছে। এছাড়াও নিরাপত্তার জন্য পুলিশ কন্টোল রুম ও সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকরা ইজতেমার সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন।
এ ব্যাপারে সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মণ্ডল বলেন, পুরো ইজতেমা এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় রেখে ময়দানে স্থাপিত পুলিশ কন্টোল রুম থেকে নিরাপত্তার বিষয়ে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে।
পোশাক পরিহিত এবং সাদা পোশাকেও নিরাপত্তায় রয়েছেন পুলিশ সদস্যরা। যাতায়াতের জন্য রাস্তায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ট্রাফিক সদস্যরা কাজ করছেন বলে তিনি জানান।
জেবি