দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নেত্রকোনার বারহাট্টায় ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থীর নির্বাচনি আলোচনা সভায় প্রার্থীর পক্ষে ভোটের প্রচারণা করেছেন একজন প্রধান শিক্ষক।
বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার নজরে আসায় ওই শিক্ষকে কারণ দর্শাতে (শোকজ) নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযুক্ত ব্যক্তি বারহাট্টা উপজেলার আশিয়ল সরকারি প্রধান শিক্ষক এস এম সাজ্জাদুল হক সবুজ।
চলমান সংসদ নির্বাচনে জনসভায় প্রার্থীর পক্ষে ভোটে চেয়ে সরকারিবিধি ও নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে তাকে শোকজ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বুধবার (৬ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসনের ইসলামী ঐকজোটের প্রার্থী মো. ইলিয়াসের বাড়ি বারহাট্টা উপজেলার নুরুল্লার চর গ্রামে এ নির্বাচনি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে এলাকার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
এতে ইলিয়াসের পক্ষে কাজ করার জন্য সবাইকে আহ্বান জানান শিক্ষক সাজ্জাদুল হক সবুজ।
ওই নির্বাচনি সভায় উপস্থিত এলাকাবাসীর উদ্দেশে তাকে বলতে শোনা যায়, ইলিয়াস (ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থী) খুব ভালো ছেলে। তাকে ধরে রাখতে হবে। ইলিয়াসের জন্য সবাই কাজ করবেন।
বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শাহেদ পারভেজের নজরে আসে। পরে তিনি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে এ বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।
বুধবার বিকেলেই জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান খান ওই শিক্ষককে শোকজ করেন। আগামী ১০ কার্য দিবসের মধ্যে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
ইসলামী ঐকজোটের প্রার্থী মো. ইলিয়াস তার বাড়িতে নির্বাচনি উঠান বৈঠকে প্রধান শিক্ষক এস এম সাজ্জাদুল হক সবুজের উপস্থিত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আশিয়ল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম সাজ্জাদুল হক সবুজ বলেন, অনুষ্ঠানে গিয়েছি। তবে ভোট চাইনি কারও জন্যে। সেখানে খুরশিমুলের জুনাইদ হুজুর আসছিলেন। তার কাছ থেকে আমার বাচ্চার জন্য তাবিজ-কবজ আনার জন্য সেখানে গিয়েছিলাম। কেউ যদি অভিযোগ করে সেখানে ভোট চাইতে গিয়েছিলাম, তবে সেটা আমি সামাল দিবনে। কারণ দর্শানোর নোটিশ পাইনি। হাতে পেলে সুন্দরভাবে জবাব দিয়ে দেব।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্কমর্তা মো. মিজানুর রহমান খান বলেন, জেলা প্রশাসন এ বিষয়টি আমাদের নজরে দিয়ে ব্যবস্থা নিতে বলেছেন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে ওই প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নির্বাচনি আচরণবিধি ও সরকারি চাকরিবিধি তিনি ভঙ্গ করেছেন। গুরুতর অপরাধের জন্য ১০ কার্য দিবসের মধ্যে তাকে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে। জবাব পাওয়ার পর এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেবি