দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নয়শ কোটি টাকা লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়ে নাটোরের গোপালপুরের নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলের ৯১ তম আখ মাড়াই মৌসুম শুরু হয়েছে।
শুক্রবার (৯ নভেম্বর) বিকেলে মাড়াই মৌসুমের উদ্বোধন করেন নাটোর-১ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বকুল।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএস আরআই এর মহাপরিচালক ওমর আলী, নাটোরের জেলা প্রশাসক আবু নাছের ভুঞা, পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম, বিএসএফআইসি এর চেয়ারম্যান শেখ সোয়েবুল আলম এনডিসি, নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ খবির উদ্দিন মোল্যা প্রমুখ।
মিলটিতে ২০২৩-২৪ মাড়াই মৌসুমে ১০৩ কার্য দিবসে ১ লাখ ৭০ হাজার টন আখ মাড়াই করে ১১ হাজার ৭৩০ টন চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। চিনি আহরণের হার ধরা হয়েছে শতকরা ৬.৯০ ভাগ। উৎপাদিত চিনির মূল্য ধরা হয়েছে একশত পঞ্চাশ কোটি টাকা। এবার কাঙ্ক্ষিত আখ সরবরাহ পেলে মিলটি লাভের মুখ দেখবে বলে কর্তৃপক্ষ আশা করেছে।
মিল সূত্রে জানা গেছে, বিগত দিনগুলিতে মিল জোন এলাকায় পাওয়ার ক্রাশার দিয়ে আখ মাড়াই করায় প্রয়োজনীয় আখ পায়নি মিলটি। ফলে প্রায় নয়শ কোটি টাকা লোকসান গুণতে হয়েছে।
এবার কর্তৃপক্ষের কড়া নজরদারির কারণে মিল এলাকায় পাওয়ার ক্রাশার দিয়ে আখ মাড়াই বন্ধ রয়েছে। যে কারণে লাভের সম্ভাবনা দেখছেন মিল কর্তৃপক্ষ। এছাড়াও আখের মূল্য ২২০ টাকা মণ নির্ধারণ করা হয়েছে। সে কারণে মিলে কাঙ্খিত আখ সরবরাহের সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে মিলের বিরুদ্ধে একাধিক কৃষক অভিযোগ করে বলেন, মিল কর্তৃপক্ষ এক মাস দেরিতে মাড়াই শুরু করায় আখ কেটে রবি শস্য করা সম্ভব হয় না। ফলে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেজন্য তারা নগদ মূল্যে পাওয়ার ক্রাশার মালিকদের কাছে তাদের আখ বিক্রি করে দেন।
এ বিষয়ে নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ খবির উদ্দিন মোল্যা জানান, সুগার মিল এলাকায় মিল চলাকালীন সময়ে পাওয়ার ক্রাশার দিয়ে আখ মাড়াই নিষিদ্ধ আছে। এটি এই অঞ্চলের একমাত্র রাষ্ট্রীয় ভারি শিল্প প্রতিষ্ঠান। এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে এই অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা। তিনি মিলটি রক্ষার্থে চাষিদের আখ সরবরাহ করার আহ্বান জানান।
জেবি