দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শেরপুর জেলা শহরের নবীনগর কাঁচাবাজারে শুক্রবার (৩ নভেম্বর) সকালে ৪ কেজি ওজনের দুটি লাল মোরগ ওঠানো হয়েছিলো। তবে শেষ পর্যন্ত মোরগ দুটি বিক্রি করতে না পয়ে বাড়ি ফিরে গেছন ওই বিক্রেতা।
জানা গেছে, শেরপুর সদর উপজেলার চর শেরপুর ইউনিয়নের জুগনি বাগ গ্রামের তারা মিয়া বিদেশি টার্কি, তিতি ও কক জাতের মুরগির খামার করেছেন।
সেই খমারের ১৫-২০টি মুরগি ও মোরগ বিক্রি না করে আলাদা করে রেখে পালতে শুরু করেন।
স্বভাবিকভাবে তার খামারের বাচ্চা মুরগির বয়স ২-৩ মাস হলেই বিক্রি করে দেন। কিন্তু ওই ১৫-২০টি মোরগ-মুরগি আরও বড় করার জন্য আলাদা রাখেন। একপর্যায়ে মোরগ-মুরগিগুলো ৯ মাস পেরিয়ে গেলে সেগুলোর ওজন প্রতিটা ৩ থেকে ৪ কেজি ওজনের হয়।
ওই মোরগ-মুরগির খাদ্যের খরচে না পোষানোয় তা বাজারে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন। সে কারণে গতকাল বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) শেরপুর শহরের আদালতের সামনে চার কেজি ওজনের দুটি লাল টকটকে মোরগ নিয়ে আসেন বিক্রির জন্য। প্রতিটা সাড়ে ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেন। কিন্তু তাতেও তার পোষায় না বলে জানান বিক্রেতা তারা মিয়া।
এরপর আরও দুটি মোরগ আজ শুক্রবার সকালে নিয়ে আসেন শহরের ঐতিহ্যবাহী নবীনগর বাজারে। কিন্তু মোরগ দেখে দাম জিজ্ঞেস করে চলে যায় ক্রেতারা। তবে একজন মাত্র প্রতিটা ১৩ শত টাকা দাম করলেও বিক্রেতা বিক্রি করেননি।
মোরগগুলো দেখতে দেশি মনে হলেও আসলে তা পাকিস্থানি কক জাতের বলে জানান তিনি। এদিকে লাল টকটকে বিশালাকার মোরগ দেখতে বাজারের অসংখ্য মানুষ ভিড় জমায়।
তারা মিয়া জানান, মুরগির চেয়ে মোরগ দেখতে খুবই সুন্দর ও অনেক বড়। তাই মোরগগুলোই বিক্রি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, এ মোরগ বড় করতে আমার যা খরচ হয়েছে সে তুলনায় ৬০০ টাকা কেজি বিক্রি করা উচিত। কিন্তু অন্যান্য মুরগির বাজার দর ছাড়া কেউ কিনবে না বিধায় কম দামেই বিক্রি করা হচ্ছে।
জেবি