দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

টানা ২২ দিন পর ভোলার মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীতে শুরু হচ্ছে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা। বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) মধ্যরাত থেকে জাল, নৌকা ও ট্রলার নিয়ে ইলিশ শিকারে নেমে পড়বেন তারা।
এতে বেকার জেলেরা কর্মব্যস্ত হয়ে পড়বেন। উপকূলের ঘাটে ঘাটে চলছে জেলেদের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। কাঙ্খিত পরিমান ইলিশ পেলে ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন বলে আশাবাদী তারা।
তবে মৎস্যবিভাগ বলছে, অভিযান সফল হওয়া ইলিশের উৎপাদন বাড়বে।
উপকূলীয় ঘাট ঘুরে দেখা গেছে, অপেক্ষার পালা শেষ। ঘাটে ঘাটে জেলেদের কর্মব্যস্ততার চিত্র। কেউ জাল বুনছেন, কেউ বা ইঞ্জিন মেরামতেরর কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
ইলিশ ধরা নিষেধাজ্ঞার দীর্ঘ ২২ দিন পর নদী ও সাগরে মাছ শিকারে যাবেন তাই অনেকটাই হাসি মুখ জেলেদের। নদীতে নেমে পর্যাপ্ত ইলিশ পেয়ে সংকট দূর করতে পারবেন বলে আশাবাদী জেলেরা।
বশির মাঝি ও লোকমান বলেন, এতোদিন আমরা নদীতে যাইনি, এখন মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ, রাতেই আমরা নদীতে যাবে। কাঙ্খিত পরিমান মাছ পেলে সংকট দূর হবে।
এদিকে জেলেদের মধ্যে যারা ধারদেনা করে সময় পার করছেন তারা দেখছেন ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন। অন্যদিকে মৎস্যঘাটগুলোও সরগরম হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন আড়ৎদাররা।
ইলিশা ঘাটের আড়ৎদার সাহাবুদ্দিন বলেন, জেলেরা নদীতে নামবেন সেই প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তারা মাছ পেলে ঘাটগুলো সরগরম হয়ে উঠবে।
তবে অভিযান সফল হওয়ায় নদীতে ইলিশের উৎপাদন বাড়বে বলে মনে করছেন মৎস্যবিভাগ।
এ ব্যাপারে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, রাত ১২টার পর থেকে মাছ শিকারে আর কোনো বাধা নেই। অভিযান সফল হওয়ায় এবার ইলিশের লক্ষ্যমাত্রা এক লাখ ৯২ হাজার মেট্রিন টন অর্জিত হবে।
উল্লেখ্য, ইলিশের প্রধান প্রজনন সময়ে মা ইলিশ রক্ষায় গত ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এ নিষেধাজ্ঞা শেষ হবে ২ নভেম্বর মধ্যরাতে।
জেবি