দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সম্প্রতি মুরাদনগর দৌলতপুর গ্রামের শ্বশুরবাড়ি থেকে নিখোঁজ হন গৃহবধূ। বাঙ্গরা বাজার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন স্বামী।
‘এক মাসেও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ গৃহবধূর’ দেশ টেলিভিশনে ছবিসহ এমন সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর ২ মাস ১৬ দিন পর রেশমা আক্তারকে চট্টগ্রাম জেলা বাকুলিয়া থানার রাজা খালী এলাকার জামাই বাজার থেকে উদ্ধার করেছে বাঙ্গরা বাজার থানা পুলিশ।
রেশমা আক্তার বৃদ্ধা মা আমেনা বেগম বলেন, কুমিল্লা জেলা মুরাদনগর উপজেলা ১০ নম্বর যাত্রাপুর ইউনিয়নের মোচাগড়া গ্রামের সেলিম মিয়া, আমেনা বেগমের মেয়ে রেশমা আক্তারের শরিয়ত মতে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ে হয় বাঙ্গরা পূর্ব ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের রুস্তম আলী, আয়েশা খানের ছেলে নাছির খানের সঙ্গে। বিয়ের কয়েক বছর ভালোভাবেই চলছিল সংসার। তিন মাস পূর্বে স্বামী স্ত্রী মধ্যে কথা কাটাকাটি ঝগড়া করে স্বামীর বাড়ি থেকে কোথায় যেন চলে যায়। এর মধ্যে রেশমা আক্তারের সকল আত্মীয় স্বজনদের বাড়িতে খোঁজ করেও কোথাও পাওয়া যাচ্ছিল না রেশমা আক্তারকে। আজকে সোমবার পুলিশ চট্টগ্রাম থেকে আমার মেয়েকে উদ্ধার করে মেম্বারের কাছে ফোন করে জানায়। আমি এখন মেম্বারের সঙ্গে থানায় মেয়েকে নিতে এসেছি।
রেশমা আক্তার বলেন, স্বামী-স্ত্রী মধ্যে প্রায় ঝগড়া লেগেই থাকে। আমি স্বেচ্ছায় স্বামীর বাড়ি থেকে বের হয়ে চলে যাই। বাবা নেই। ভাই নেই। বৃদ্ধা মা আছেন। কি করে বাবার বাড়ি যাই। তাই কাজের উদ্দেশ্যে গত শনিবার (৮ আগস্ট) স্বামীর বাড়ি দৌলতপুর গ্রাম থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেই। এর মধ্যে কুমিল্লা জেলা মুরাদনগর উপজেলা কোম্পানীগঞ্জ বাস টার্মিনালে আসলে আমার সঙ্গে পরিচয় হয় মুরাদনগর উপজেলা ৯ নম্বর কামাল্লা ইউনিয়নের কামারচর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম ও পুতুল নামে এক মহিলার। তাদেরকে আমার দুঃখ কষ্টের কথা জানাই।
আমাকে জাহাঙ্গীর আলম ও পুতুলে কামারচর গ্রামের বাড়িতে ১ মাস পরে তাদের কুমিল্লা শাসনগাছা এলাকায় ১ মাস ১৫ দিন বাসায় ঝিয়ের কাজ করি। সেখান থেকে হাতে কিছু টাকা হয় সেই টাকা দিয়ে গত রোববার চট্টগ্রাম জেলা বাকুলিয়া থানার রাজা খালী এলাকা জামাই বাজার কাজের উদ্দেশে চলে যাই। জামাই বাজার এলাকা থেকে বাঙ্গরা বাজার থানা পুলিশ আমাকে ধরে নিয়ে আসে।
বাঙ্গরা বাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রিয়াজ উদ্দিন সরকার বলেন, আমি বাকুলিয়া থানার আমি অফিসার ইনচার্জ ওসি ছিলাম। সেখানে আমার সোর্স রয়েছে। সেই সোর্সের মাধ্যমে জানতে পারি সেখানে একটি রাস্তায় দেখা গেছে। সেই সূত্র ধরে আমি রেশমা আক্তারকে উদ্ধার করি।
জেবি