দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বিশা ইউপি চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন খান তোফাসহ ৯ জন আদালতে হাজিরা এসে জেলহাজতে গেছেন। মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নওগাঁ জেলা ও দায়রা জজকোর্টে হাজিরা দিয়ে জামিনের আবেদন করা হলে বিচারক আবু শামীম আজাদ তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো নির্দেশ দেন। নওগাঁ কোর্ট ইন্সপেক্টর মাসুদ রানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি আব্দুল মান্নান মেল্লাকে হত্যার উদ্দেশে গুরুতর জখম করা হয়। এ ঘটনায় তোফাজ্জল হোসেন খান তোফাসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১ আগস্ট বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মান্নান মোল্লা মোটরসাইকেলযোগে ইউনিয়নের সমাসপাড়া বাজারে দলীয় অফিসে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে ভাঙ্গাজাঙ্গাল বাজারে পৌঁছলে কয়েকজন যুবক পথরোধ করে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এতে তার বাম পা ভেঙে যাওয়াসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে তাকে রেখে চলে যায় তারা।
সংবাদ পেয়ে আব্দুল মান্নান মোল্লার বড় ভাই চাঁন মোল্লা ঘটনাস্থল থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নাটোর সদর হাসপাতালে নেন। অবস্থার অবনতি হলে আব্দুল মান্নানকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ঘটনার পরদিন চাঁন মোল্লা বাদী হয়ে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন খান তোফাকে প্রধান আসামি করে ২২ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।এ ঘটনার পর পুলিশ ৩ জনকে আটক করে জেলহাজতে পাঠায়।
এ ঘটনার পর তোফাজ্জল হোসেন খান তোফাসহ অন্য আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিন নিয়েছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় তোফাজ্জল হোসেনসহ ৯ আসামি মঙ্গলবার নওগাঁ জেলা ও দায়রা আদালতে হাজির হয়ে আবারও জামিনের আবেদন করেন। বিচারক তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার বাদী চাঁদ মোল্লা বলেন, আমার ছোট ভাইকে হত্যার উদ্দেশ্যে অন্যায়ভাবে জখম করা হয়েছে। এ জঘন্যতম অপরাধের আমি সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ কৌঁসুলি আব্দুল খালেক বলেন, আসামিরা উচ্চ আদালতে জামিনের জন্য আবেদন করেছিল। কিন্তু আদালত তাদের ৬ সপ্তাহের মধ্যে জেলা দায়রা ও জজ আদালতে হাজিরা দিতে নির্দেশনা দিয়েছিল। আর এ সময়ের মধ্যে পুলিশ তাদের আটক করবে না। আসামিরা সশরীরে হাজিরা দিতে এসেছিল। বিচারক কাগজপত্র দেখার পর তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এইউ