দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বরিশাল নগরীর বিবির পুকুরের পূর্ব পাড়ে ঐতিহ্যবাহী পাবলিক লাইব্রেরি পুনরায় চালুর দাবিতে উন্মুক্ত বই পাঠের আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত বরিশাল সচেতন নাগরিকের ব্যানারে এই উন্মুক্ত বই পাশের আসর অনুষ্ঠিত হয়।
ঐতিহ্যবাহী পাবলিক লাইব্রেরির পুরনো ভবন চত্বরে অনুষ্ঠিত বই পাশের অনুষ্ঠানে পারলিক লাইব্রেরির এডহক কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম বুলবুল, প্রফেসর অধ্যক্ষ আবদুল মোতালেব হাওলাদার, পাঠক দেওয়ান ফখরুল ইসলাম, শিক্ষক অঞ্জলী দত্ত, সমাজসেবক কাজী মিজানুর রহমান, বেলাল শান্ত, নজরুল ইসলাম খান ও নগর উন্নয়ন পরিষদের সদস্য সচিব কাজী এনায়েত হোসেন বাচ্চুসহ নগরীর কবি, লেখক, সাহিত্যিক এবং বিশিষ্ট নাগরিকরা অংশ নেন।
আয়োজকদের অন্যতম উদ্যোক্তা নগর উন্নয়ন পরিষদের সদস্য সচিব, পারলিক লাইব্রেরির এডহক কমিটির সদস্য ও পাবলিক লাইব্রেরি সম্পত্তি রক্ষা উপ-কমিটির সদস্য কাজী এনায়েত হোসেন শিবলু জানান, ১৮৫৪ সালে ব্রিটিশ সরকার নগরীর বিবিড়র পুকুরের পূর্ব পাশে বরিশাল পাবলিক লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করে। ১৮৬০ ব্রিটিশ সরকার ১৭.৭০ শতাংশ জমি পাবলিক লাইব্রেরির নামে রেকর্ডভুক্ত করে। অবিভক্ত বাংলার ৩টি লাইব্রেরির অন্যমত বরিশাল পাবলিক লাইব্ররি।
স্থান সংকুলানের অজুহাতে ১৯৮৫ সালে বরিশাল পাবলিক লাইব্রেরিটি নগরীর বান্দ রোডের পাশে একটি ভবনে স্থানান্তর করা হয়। মূল শহর থেকে দূরে হওয়ায় কমে যায় পাঠক। কবিতা ও সাহিত্য চর্চা করতে পারছে না বইপ্রেমীরা। আগামী ২০২৪ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারির মধ্যে পাবলিক লাইব্রেরি বিবির পুকুরের পূর্ব পাড়ে পুরনো ভবনে পুনরায় চালুর আল্টিমেটাম দেওয়া হয় উন্মুক্ত বই পাশের অনুষ্ঠানে। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলারর হুঁশিয়ারি দেন তারা।
বই পাঠের আয়োজন শেষে একই দাবিতে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি স্মারকলিপি দেন তারা।
জেবি