দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এ এস এম মাকসুদ খানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহিদুল ইসলাম জানান, সাতক্ষীরার ভোমরায় চট্টগ্রামের এক ব্যবসায়ীকে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগে করা মামলায় স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ খানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে সাতক্ষীরা সদর থানা সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে কথিত নির্যাতনের শিকার ব্যবসায়ী সাউদ সাদাত শনিবার সকালে মাকসুদ খান ও তার ম্যানেজার মহসিন আলীসহ পাঁচজনকে আসামি করে সদর থানায় একটি মামলা গ্রহণ করে সদর থানা পুলিশ।
মাকসুদ খান সাতক্ষীরা পৌরসভার কাটিয়া মাস্টারপাড়া এলাকার মাস্টার মাহফুজুর রহমানের ছেলে। আর মামলার বিবাদী মহসিন আলী সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভোমরা গ্রামের বাসিন্দা।
চট্রগ্রামের ব্যবসায়ী সাউদ সাদাতের বরাতে ওসি মহিদুল ইসলাম জানান, চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সাউদ সাদাতকে ১৩ দিন ধরে ভোমরায় ম্যানেজারের বাড়িতে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে মাকসুদ খানের বিরুদ্ধে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার সন্ধ্যায় সাউদ সাদাতকে উদ্ধার করা হয়। এসময় আটক করা হয় ম্যানেজার মহসিন আলীকে। শনিবার সকালে সাউদ সাদাত বাদী হয়ে ১৬৫ ধারায় সাতক্ষীরা সদর থানায় মাকসুদ খান ও ম্যানেজার মহসিন আলী, কর্মচারী আকাশ হোসেন, রাকিব হোসেন ও আজিজুল ইসলাম টপিকে আসামি করে একটি মামলা করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে মাকসুদ খানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ভোমরা স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এ এস এম মাকসুদ খান রাতে সাদাতকে আটকে রাখার বিষয়টি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, আমার ম্যানেজারের সঙ্গে একসঙ্গে একরুমে থাকত, খাওয়া-দাওয়া করত। রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) তার পাওনা ৫০ লাখ টাকা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেটা যাতে না দিতে হয় সেজন্য তিনি এই অপহরণের নাটক তৈরি করেছেন।
মাকসুদ খান আরও বলেন, সাউদ সাদাতের সঙ্গে চার মাস ধরে ব্যবসা চলছিল। লেনদেনও ভালো ছিল। তবে কুরবানি ঈদের ১০ দিন আগে তার কাছ থেকে ১ কোটি ২৩ লাখ টাকার শুকনা মরিচ, রসুন, পেয়াজ নিয়ে আর টাকা দেননি তিনি। এ বিষয়ে চট্টগ্রামের হাটহাজারি থানা ও সাতক্ষীরা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। সে আমার অর্থ আত্মসাৎ করতে অন্যদেরকে টাকা দিয়ে আমার পাওনা টাকা ও ব্যবসা ক্ষতি করতে নাটক সাজিয়েছে।
এইউ