দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

৩০০ টন পাথর নিয়ে মালবাহী ট্রেন পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়েছে মাত্র ৫ মিনিট ১১ সেকেন্ডে। ট্রেনটি ৮০ কিলোমিটার গতিবেগে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া স্টেশন থেকে বিরতিহীনভাবে পদ্মা সেতু হয়ে মাদারীপুরের শিবচরের ২টি স্টেশন হয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পৌঁছায় মাত্র ৪৬ মিনিটে। এদিন দুই ধাপে দুই স্তরের গতিতে পরীক্ষা চালানো হয়। পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের মাঝে সন্তোষ বিরাজ করছে।
এর আগে শুক্রবার দেশে সর্বোচ্চ ১২৫ কিলোমিটার গতির রেকর্ড গড়ে পদ্মা সেতু দিয়ে সফলভাবে পরীক্ষামূলকভাবে চলে যাত্রীবাহী ট্রায়াল ট্রেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ১০ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করবেন ঢাকা-ভাঙ্গা নতুন এই রেলপথের। সেই উপলক্ষে গত ৭ সেপ্টেম্বর রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরীসহ অন্যান্য সংসদ সদস্যর উপস্থিতিতে ঢাকার কমলাপুর থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত ৬০ কিলোমিটার গতিতে রেলের ট্রায়াল সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনকে ঘিরে শুক্রবার যাত্রীবাহী ট্রেন দিয়ে সফলভাবে সর্বোচ্চ ১২৫ কিলোমিটার গতিতে যাত্রীবাহী ট্রেনের ট্রায়াল সফল হয়। শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ৫টা বগিতে ৩০০ টন পাথরবোঝাই করে মালামালবাহী ট্রেন দিয়ে ট্রায়াল করা হয়। প্রতি বগিতে পাথর ছিল ৬০ টন। প্রথমে সকাল ৭টা ৩৮ মিনিটে ৬০ কিলোমিটার গতিবেগে ট্রেনটি ভাঙ্গা স্টেশন থেকে ছেড়ে গিয়ে ৮টা ৩০ মিনিটে মাওয়া স্টেশনে পৌঁছায়।
এসময় পদ্মা সেতু পার হতে ট্রেনটি ৬ মিনিট ৩০ সেকেন্ড সময় নেয়। অপরদিকে মাওয়া স্টেশন থেকে ট্রেনটি সমপরিমাণ মালামাল নিয়ে সকাল ৯টা ৫ মিনিটে ছেড়ে ৯টা ৫১ মিনিটে ভাঙ্গা স্টেশনে পৌঁছায়। ভাঙ্গা পর্যন্ত পৌঁছাতে সময় লাগে মাত্র ৪৬ মিনিট। এসময় পদ্মা সেতু পার হতে সময় লাগে মাত্র ৫ মিনিট ১১ সেকেন্ড। ট্রায়াল চলাকালে মধ্যকার কোনো স্টেশনেই থামেনি ট্রেনটি। দুর্ঘটনা এড়াতে রেলপথজুড়ে ছিল পুলিশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
এইউ