দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নৌকাবাইচ খেলাকে কেন্দ্র করে আয়োজিত মেলার নামে চলছে অশ্লীল নৃত্য ও জুয়ার রমরমা ব্যবসা। এ অশ্লীল নৃত্য দেখে বিপথগামী হচ্ছে উঠতি বয়সের ছেলেরা। অন্যদিকে জুয়ার বোর্ডে টাকা ধরে সর্বস্ব হারাচ্ছে গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষ।
পাবনা সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের পশ্চিম চর বলরামপুরের নাদেরের নৌকাবাইচ মেলায় এসব চলছে। জেলা প্রশাসনের কোনোরকম অনুমোদন ছাড়াই চলছে এ মেলা।
মেলায় জাদু খেলার নামে প্যান্ডেলের ভেতরে চলছে অশ্লীল নৃত্য। দিনে যেমন তেমন রাতের গভীরতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই অশ্লীল নৃত্যের আয়োজন জোরাল হয়। অর্থাৎ রাত ১০-১১ টার পর থেকে পুরোদমে চলে এ অশ্লীল নৃত্য। ৭০ থেকে ১শ টাকার টিকিটে ঢোকানো হয় দর্শনার্থীদের। এ দর্শনার্থীর তালিকার বড় একটি জায়গায় রয়েছে উঠতি বয়সী ছেলেরা। এসব অশ্লীল নৃত্য দেখে বিপথগামী হচ্ছে তারা।
অন্যদিকে ওই প্যান্ডেলের উত্তর পার্শ্বে লিচু গাছের নিচে ও তাবু খাটিয়ে পরিচালনা করা হচ্ছে জুয়ার দুটি বোর্ড। সেখানে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ গিয়ে টাকা খোয়াচ্ছেন। প্রশাসন আসলে কিছু সময় বন্ধ থাকে এগুলো। তাদের প্রস্থানে আবার শুরু হয় এসব জুয়ার কারবার। এ ধরণের অশ্লীলতা ও জুয়া খেলায় অতিষ্ট স্থানীয় অনেকেই। কিন্তু প্রভাবশালীদের ভয়ে মুখ খুলতে পারছেন না কেউই।
এ ব্যাপারে মেলা পরিচালনা কমিটির প্রধান ভাঁড়ারা ইউপি চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ খান এসব অভিযোগ অসত্য দাবি করে বলেন, অশ্লীল নৃত্য দেখানোর প্রশ্নই আসে না। তবে স্থানীয় অতিউৎসাহী কিছু জুয়ারি রয়েছে, তারা কখনো দূরে গাছতলায় জুয়ার কোর্ট বসানোর চেষ্টা করেছে। পুলিশ গিয়ে সেগুলো বন্ধ করেছে, আমরাও এগুলো চালাতে বাধা দিচ্ছি।
মেলায় এসব কর্মকাণ্ড পরিচালনা বন্ধে পুলিশের ভূমিকা জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. মাসুদ আলম জানান, এ ধরনের একটি ম্যাসেজ পাওয়ার পর পুলিশের সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মেলার পরিচালক ওই চেয়ারম্যানকেও এ ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছে।
জেডএ