দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জেলা পরিষদের প্যাডে লেখা একটি সুইসাইড নোট ফেসবুকে ভাইরাল হয়। রাত ৯টা ৩৭ মিনিটে ফেরদৌস নাঈম নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে ভাইরাল হওয়া সুইসাইডটি পুলিশের নজরে আসে। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের মোবাইল টিম ছেলেটির বাড়িতে যায়। সেখানে গিয়ে পুলিশ দেখতে পায় ছেলেটি তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বসে আড্ডা দিচ্ছে। ঘটনাটি ঘটেছে রাজবাড়ীর শহরের ৭নং ওয়ার্ডের ভবানিপুর গ্রামে।
ফেসবুকে সুইসাইড নোট লেখা যুবকের নাম ফেরদৌস নাঈম। তিনি ভবানিপুর এলাকার মৃত গোলাম ফয়েজের সন্তান।
জানা গেছে, রাত ৯টা ৩৭ মিনিটে ফেরদৌস নাঈম নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে জেলা পরিষদের প্যাডে একটি সুইসাইড নোট ফেসবুকে ভাইরাল হয়। ভাইরাল হওয়া সুইসাইড নোটে লেখা ছিল 'আমি ফেরদৌস নাঈম, ৮৭১২৬১০..,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি নং ২০১৯০১৫৮..। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমার ব্যক্তিগত প্রেমের সম্পর্কের ঝামেলা/সংকট মোকাবিলায় আপনারা স্ব-প্রণোদিত হয়ে যারা সহযোগিতা করেছেন তাদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ এবং একই সাথে ক্ষমাপ্রার্থী। কারণ আমার ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে আপনাদের অপমানিত ও লজ্জিত হতে হয়েছে।
আমার বিধবা মা কে যেই মেয়ে (অশ্লীল ভাষা) বলে গালাগাল করেছে এবং আমার আম্মুর সম্মানহানি হয় এমন কথা বলেছে সেই মেয়ের বিচার আপনারা না করলেও আমার বলার কিছু নেই। কিন্তু মৃত বেলাল ফয়েজের সন্তান হিসেবে এই বিচার আমি করব। আমার মৃত্যু হলে কবরটা যেন আমার বাবার কবরেই হয় এই শেষ অনুরোধ। এর নিচে বিশেষ দ্রষ্টব্য দিয়ে আবার লেখা ছিল, 'এক সেট ব্লেড যেটা দিয়ে সবেমাত্র হাত কাটছি। আরেক সেট আমার বাসায় লুকানো আছে।'
এ বিষয়ে রাজবাড়ী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. রেজাউল করিম গণমাধ্যমকে জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া সুইসাইড নোটটি তার নজরে এলে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের মোবাইল টিম ছেলেটির বাড়িতে পাঠান। সেখানে গিয়ে পুলিশ দেখতে পায় ছেলেটি দিব্যি সুস্থ। সে তার মা ও আত্মীয়দের সঙ্গে বসে গল্প করছিল।
তিনি আরও বলেন, ছেলেটিকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে জানায়, সে মজা করে ফেসবুকে সুইসাইড নোটটি লিখেছিল।
এফএইচ