দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

যুক্তরাজ্যপ্রবাসী সিলেটের চৌকিদেখী এলাকার বাসিন্দা বুরহান উদ্দিন শফি হত্যা মামলার অন্যতম আসামি আব্দুল মুহিত মায়েদকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। দীর্ঘ ৯ মাস পলাতক থাকার পর গত ৩ নভেম্বর জকিগঞ্জ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। এ নিয়ে আলোচিত এ হত্যা মামলার সব আসামি গ্রেপ্তার হলেন। এবার জড়িত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন নিহতের স্বজনেরা।
আব্দুল মুহিত মায়েদ সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার গঙ্গাজল গ্রামের মো. আব্দুছ ছাত্তারের ছেলে।
জানা যায়, বুরহান উদ্দিন শফি প্রায় ৪০ বছর ধরে পরিবারসহ লন্ডনে বসবাস করতেন। গত ২৮ জানুয়ারি যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফিরে সিলেট নগরের চৌকিদেখী ১ নম্বর গলির নিজ বাসায় ওঠেন তিনি। ৩০ জানুয়ারি কুলাউড়া যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন। এ ঘটনায় ৩১ জানুয়ারি সিলেটের এয়ারপোর্ট থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার বোন শাহ আছমা জাহান।
নিখোঁজের চার দিন পর ৩ ফেব্রুয়ারি জকিগঞ্জের একটি হাওর থেকে বুরহান উদ্দিন শফির (৫৪) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তার বোন শাহ আছমা জাহান জকিগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন।
মামলার প্রায় ২০ দিন পর ২০ ফেব্রুয়ারি প্রধান আসামি সৈয়দ মেহরাজ উজ সামাদ ওরফে শোভন এবং দ্বিতীয় আসামি মো. সাব্বির আহমদকে গ্রেপ্তার করে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। শোভন ওসমানীনগর উপজেলার উছমানপুর গ্রামের সৈয়দ মহিবুর ছামাদের ছেলে। অন্যদিকে সাব্বির জকিগঞ্জ উপজেলার ইলাবাজ গ্রামের আব্দুস সামাদ দুলনের ছেলে।
সবশেষ গত ৩ নভেম্বর মামলার তৃতীয় আসামি আব্দুল মুহিত মায়েদ আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হয়। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।
নিহত বুরহান উদ্দিন শফির বোন ও মামলার বাদী শাহ আছমা জাহান বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত সবার সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের কাছে দাবি জানাচ্ছেন তারা। ভাইকে আর ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। তবে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি হলে পরিবারের সদস্যরা কিছুটা হলেও শান্তি পাবেন।
যে আই