দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা কলেজে চারটি পদে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে অধ্যক্ষ ও পরিচালনা কমিটির সভাপতির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ, সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছেন নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থী ও এলাকাবাসী।
রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে কচাকাটা হাইস্কুল থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন তাঁরা। মিছিলটি কচাকাটা বাজার ঘুরে কলেজের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় পুলিশি পাহারায় কলেজের প্রধান ফটক তালাবদ্ধ থাকায় বিক্ষোভকারীরা ফটক ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। পরে ফটকের সামনে কলেজের সভাপতি ডা. মো. ইউনুস আলী ও অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম জুয়েলের ছবি এবং কুশপুত্তলিকায় আগুন দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তাঁরা। পরে ফটক খুলে দেওয়া হলে কলেজ মাঠে মানববন্ধন করেন বিক্ষোভকারীরা।
মানববন্ধনে নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীরা অভিযোগ করেন, মেধাতালিকায় থাকা প্রার্থীদের বাদ দিয়ে পরীক্ষার চার দিন পর ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে কলেজের সভাপতি ডা. ইউনুস আলী ও অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম কম মেধাবীদের নিয়োগ দিয়েছেন। তাঁরা এ নিয়োগকে অবৈধ দাবি করে তা বাতিল এবং নতুন করে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর দাবি জানান।
জানা গেছে, গত ২৪ অক্টোবর সকাল ১০টায় কচাকাটা কলেজের কম্পিউটার কাম অফিস সহকারী, ল্যাব সহকারী, নৈশপ্রহরী ও আয়া পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। চারটি পদে ৪৫ জন চাকরিপ্রত্যাশী আবেদন করেন। নির্ধারিত সময়ে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে প্রার্থীরা উপস্থিত হলেও পরীক্ষা শুরু হয় দুপুরের পর। লিখিত পরীক্ষা শেষে ফলাফল প্রকাশ না করে সবার মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়।
প্রার্থীদের অভিযোগ, মৌখিক পরীক্ষা শেষে তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রকাশ না করে চার দিন পর ফল প্রকাশের কথা জানানো হলে নিয়োগ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে কচাকাটা থানা-পুলিশের সহায়তায় অধ্যক্ষসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কলেজ ত্যাগ করেন।
চাকরিপ্রার্থীরা আরও অভিযোগ করেন, লিখিত পরীক্ষার মেধাক্রম অনুসরণ করে মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হলেও চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ না করেই রাত ৮টার দিকে পরীক্ষক ও কলেজ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কলেজ ছাড়েন। পরে ২৭ অক্টোবর সকালে অধ্যক্ষ কলেজের নোটিশ বোর্ডে ফলাফল টাঙিয়ে দেন। তবে ফলাফলপত্রে ২৪ অক্টোবর তারিখে স্বাক্ষর করা ছিল। লিখিত পরীক্ষায় মেধাক্রমে এগিয়ে থাকা প্রার্থীরা নিয়োগ না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁরা এ কর্মসূচি পালন করেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন অনিছূর রহমান তোলা ব্যাপারী। তিনি অভিযোগ করেন, নিয়োগ বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে ডা. ইউনুস আলী মাত্র ১০ মাস আগে কলেজের সভাপতি হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, অবৈধ নিয়োগের মাধ্যমে কলেজকে মেধাশূন্য করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ নিয়োগ বাতিল করে নতুন করে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
যে আই