দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

চট্টগ্রামের পটিয়ায় পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলা, ভাঙচুর ও স্বর্ণালঙ্কার লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় হামলার ভিডিও ধারণ করতে গেলে এক মা ও তাঁর দুই ছেলেকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আহতরা হলেন দিলুয়ারা বেগম (৪৮) এবং তাঁর দুই ছেলে শাহদাত হোসেন ইরফান (২০) ও জিহান হোসেন (২৪)। তাঁদের উদ্ধার করে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তিনজনকেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠান।
গত শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বড়লিয়া ইউনিয়নের ওকন্যারা গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মো. জাবেদ হোসেন বাদী হয়ে পটিয়া থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন আবদুল হান্নান (৪৫), মো. সেলিম (৪৬), নেজাম উদ্দিন (৪০) ও ফোরকান উদ্দিন আজম (৩৫)। শনিবার বেলা ৩টার দিকে তাঁদের পটিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদীর সঙ্গে অভিযুক্তদের দীর্ঘদিন ধরে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলছে। এর জেরে শুক্রবার সকালে অভিযুক্ত মো. আলম (৪২), আবদুল হান্নান (৪৫), মো. সেলিম (৪৫), নেজাম উদ্দিন (৪০), ফোরকান উদ্দিন আজম (৩৫), জনি আক্তার (৩০)সহ অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচ-ছয়জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাদীর বসতবাড়ির পেছনের টিনের বেড়া ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় ভাঙচুর করে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
হামলার সময় বাদীর এক ভাই মোবাইল ফোনে ঘটনার দৃশ্য ধারণের চেষ্টা করলে অভিযুক্তরা তাঁকে মারধরের চেষ্টা করেন। এতে বাধা দিতে গেলে বাদীর মা দিলুয়ারা বেগমকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তাঁর কপালে কোপ লেগে গুরুতর জখম হয়। এ ছাড়া হামলায় এক সাক্ষীর নাক ফেটে রক্তাক্ত জখম হয়।
পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে পাঠান।
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক জানান, পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে মা-ছেলেকে রক্তাক্ত করার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। ঘটনার পর চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এমএস/