দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

অবরোধকারীদের পাঁচ দফা দাবির মধ্যে চারটি নিয়ে সমঝোতা হয়েছে। বাকি দাবিটি নিয়েও আগামী দু-এক দিনের মধ্যে সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়া। খুব অল্প সময়ের মধ্যে সাজেকের চলমান সংকট নিরসন হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে খাগড়াছড়ি সার্কিট হাউসে সাজেকের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়া।
এ সময় রাঙামাটির সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, রাঙামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত, রাঙামাটির পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মো. মোরতোজা আলী খানসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সাজেকের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা ও সড়ক যোগাযোগ সচল করতে সরকারি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে অবরোধকারীদের বৈঠক হয়। সাজেকের উজো বাজারে প্রায় আড়াই ঘণ্টার ওই বৈঠকে চলমান সংকট নিরসনে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে রাঙামাটির সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান বলেন, ‘আমরা ফলপ্রসূ আলোচনা করেছি। আশা করি, দ্রুত একটা সমাধানে পৌঁছাতে পারব। একটি দাবি অমীমাংসিত রয়েছে। সেটিও সমাধান হবে বলে আশা করছি। শিগগিরই আমরা সুসংবাদ দিতে পারব।’
একাধিক সূত্র জানায়, পাঁচ দফা দাবির মধ্যে চারটি বিষয়ে সরকারি প্রতিনিধি দল ও অবরোধকারীরা ইতিবাচক সমঝোতায় পৌঁছেছেন। দাবিগুলো হলো—সহিংসতার ঘটনায় ৩০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা এক হাজার ব্যক্তির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার এবং ঘটনার নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্ত; উজো বাজারের স্থানীয় দোকানিদের দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় ক্ষতিপূরণ এবং বাজার থেকে সেনা ও পুলিশ সদস্যদের সরিয়ে নেওয়া; মারধরে আহত নারী-পুরুষের সম্পূর্ণ চিকিৎসার ব্যয়ভার গ্রহণ; এবং আন্দোলনরত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে গ্রেপ্তার ও হয়রানি না করা এবং তাঁদের বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে তল্লাশি না চালানো।
তবে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সশস্ত্র সদস্যদের দ্রুত সাজেক থেকে সরিয়ে নেওয়া এবং তাদের সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও জুলুম বন্ধের দাবি নিয়ে এখনো সমঝোতা হয়নি।
সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশনের ডাকা তৃতীয় দফার অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধের কারণে টানা পঞ্চম দিনের মতো অবরুদ্ধ রয়েছে সাজেক। এতে পর্যটনসহ স্থানীয় বিভিন্ন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
যে আই