দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নারীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করা এবং পরিবারের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই ফ্যামিলি কার্ডের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এমনটাই জানিয়েছেন গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদের বজ্রকণ্ঠ মিলনায়তনে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের তথ্যসংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এস এম জিলানী বলেন, ২০২২ সালে বিএনপির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে তাঁর আলোচনা হয়েছিল। তখন তিনি জানতে চেয়েছিলেন, পরিবারের পুরুষ সদস্য থাকা সত্ত্বেও নারীদের কেন ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। জবাবে তারেক রহমান বলেছিলেন, নারীরা দীর্ঘদিন ধরে সমাজে বিভিন্নভাবে অবহেলিত। তাঁদের হাতে সরাসরি আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া গেলে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নারীদের কাছে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ পরিবারগুলোর অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিটি ফ্যামিলি কার্ডের বিপরীতে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সহায়তা দেওয়া হবে।
প্রধান অতিথি বলেন, বিএনপির ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনী ইশতেহারে সারা দেশে ফ্যামিলি কার্ড চালুর বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল। এখন এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে সঠিক তথ্য সংগ্রহ এবং যোগ্য উপকারভোগী শনাক্ত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তথ্যসংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব না করে প্রকৃত উপকারভোগীদের চিহ্নিত করতে হবে। যাঁরা ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার যোগ্য, তাঁরা যেন বাদ না পড়েন এবং অযোগ্য কেউ যেন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না হন, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।
উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের যৌথ আয়োজনে দুই দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণে মোট ৫২ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নিচ্ছেন। শনিবার প্রথম দিনে ১৫ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলবে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ দিদারুল আলম। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা প্রকাশ চক্রবর্তী। এ সময় টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, সরকারি কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এমএস/