দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জীবিকার তাগিদে বাড়ির আঙিনায় লাগানো কুমড়োগাছের ফুল সংগ্রহ করে বিক্রি করছেন মাগুরার অনেক নারী। প্রতিদিন না হলেও এক দিন পরপর ফুল বিক্রি করে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত আয় করছেন তারা। এতে সংসারে বাড়তি আয় যোগ হচ্ছে।
মাগুরা সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের সামনে কুমড়ো ফুল বিক্রি করেন জাহেদা বেগম। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিভিন্ন বয়সী মানুষ সেখানে কুমড়ো ফুল বিক্রি করেন। ক্রেতাদের মধ্যেও এ ফুলের চাহিদা দেখা যায়।
কুমড়ো ফুল ভেজে, সেদ্ধ করে কিংবা বেসন দিয়ে বড়া তৈরি করে খাওয়া হয়। পুষ্টিবিদদের মতে, কুমড়ো ফুলে ভিটামিন ও আঁশ রয়েছে। এতে ক্যালরি ও চর্বির পরিমাণ তুলনামূলক কম। আঁশ হজমে সহায়তা করে এবং ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে।
কুমড়োলতায় পুরুষ ও স্ত্রী দুই ধরনের ফুল ফোটে। স্ত্রী ফুল থেকেই কুমড়ো হয়। ফলে পুরুষ ফুল সংগ্রহ করে বিক্রি করেন অনেকে।
গৃহিণীরা জানান, কুমড়ো ফুল বেসনে ডুবিয়ে ভেজে মচমচে বড়া তৈরি করা যায়। এ ছাড়া ফুল বেটে বা সেদ্ধ করে বিভিন্ন রান্নায় ব্যবহার করা হয়।
কুমড়ো ফুল বিক্রেতা জাহেদা বেগম বলেন, “পেটের তাগিদে আঙিনায় লাগানো কুমড়োগাছ থেকে ফুল ছিঁড়ে এনে বিক্রি করি। এ মৌসুমে কুমড়ো ফুল ও কুমড়ো বিক্রি করে ভালো আয় হয়। গাছের পুরুষ ফুল বেছে বেছে সংগ্রহ করে সরকারি কলেজ রোডের পাশে বিক্রি করি। বর্তমানে অনেক মানুষ কুমড়ো ফুল কিনছেন।”
আরেক বিক্রেতা রাশেদ মোল্লা বলেন, অন্যান্য সবজির পাশাপাশি কুমড়োর ফুলও বিক্রি করি। এতে বাড়তি আয় হয়। কুমড়োর মৌসুম আমাদের জন্য বাড়তি আয়ের একটি সময়।
কুমড়ো ফুলের ক্রেতা শাফায়েত জামিল বলেন, আমার ছেলে-মেয়েরা কুমড়ো ফুলের চপ ও বড়া খেতে খুব পছন্দ করে। গ্রামে বাড়ির পাশে পাওয়া গেলেও শহরে বাজার বা গুরুত্বপূর্ণ স্থান থেকে কিনতে হয়। বর্তমানে চাহিদা বাড়ায় অনেক কৃষক বাণিজ্যিকভাবে কুমড়ো ফুল চাষ করছেন। এতে তারা স্বাবলম্বী হচ্ছেন।
গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. অনন্যা শাঁখারী বলেন, কুমড়ো ফুলে পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। এতে থাকা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। উচ্চমাত্রার আঁশ হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করে। ক্যালরি ও চর্বি কম থাকায় এটি স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবে খাওয়া যেতে পারে।
যে আই