দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রাজবাড়ী জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে গভীর রাতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে কার্যালয়ের দেয়ালে থাকা ব্যানার ও লাইট পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ক্লপসেবল গেটও।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) দিবাগত গভীর রাতে কোনো একসময় এ ঘটনা ঘটে।
সকালে দলীয় কার্যালয়ে আগুন লাগার খবর পেয়ে সেখানে ছুটে আসেন জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। পরে রাজবাড়ী সদর থানার পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জেলা বিএনপির নেতারা। তাদের অভিযোগ, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে রাজবাড়ীসহ সারা দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। একাধিক মামলা থাকার পরও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা।
বিএনপি নেতারা আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি দলীয়ভাবে ঘটনার তদন্ত শেষে মামলা করার কথাও জানান তারা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রাত ১টার দিকে দলীয় কার্যালয়ের সব কক্ষ ও গেটের তালা পরীক্ষা করে কেয়ারটেকার বাড়িতে চলে যান। সকালে এসে তিনি কার্যালয়ে আগুন দেওয়ার বিষয়টি দেখতে পান।
দলীয় কার্যালয়ের কেয়ারটেকার আতর আলী বলেন, রাত ১টার দিকে তালা পরীক্ষা করে বাড়িতে চলে যাই। তখন এখানে কেউ ছিল না। সকাল সাড়ে ৮টার পর খবর পাই, রাতে কে বা কারা দলীয় কার্যালয়ের গেটে আগুন দিয়েছে। পরে দ্রুত এসে বিষয়টি নেতাদের জানাই।
রাজবাড়ী জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল করিম শিকদার পিন্টু বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত ঘটনা। একাধিক মামলা থাকার পরও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এখনও রাজবাড়ীতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। যারা মাদক সেবন ও অস্ত্র পাচারের সঙ্গে জড়িত, তারাই এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। দ্রুত তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার ঘোষ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, কেরোসিন তেল দিয়ে আগুন লাগানো হয়েছিল। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত যেই হোক, সবাইকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
এমএস/