দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে শ্রেণিকক্ষে কটূক্তি ও আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে আটক স্কুলশিক্ষক গোলাম কিবরিয়া লালনকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছে প্রশাসন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে দৌলতপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রদীপ কুমার দাস ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারা শিক্ষক লালনকে রাগপুর ইউনিয়নের গোরস্থান পাড়ায় তার নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেন। এ সময় তার পরিবারের সদস্যরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
শিক্ষক গোলাম কিবরিয়াকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয়রাও সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ ঘটনাকে মানবিক দৃষ্টান্ত উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তারা।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রদীপ কুমার দাস জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে শিক্ষক গোলাম কিবরিয়াকে নিরাপদে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তার নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এর আগে বুধবার বেলা ১১টার দিকে ভেড়ামারা-প্রাগপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের প্রাগপুর এলাকা থেকে গোলাম কিবরিয়া লালনকে আটক করে পুলিশ। তিনি দৌলতপুরের প্রাগপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক। বিষয়টি নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাকে থানায় নেওয়া হয় বলে পুলিশ জানিয়েছিল।
স্থানীয় বাসিন্দা, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির বাংলা ক্লাস চলাকালে সম্প্রতি জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বাংলা ভাষণের প্রসঙ্গ ওঠে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাংলা উচ্চারণ নিয়ে শিক্ষক লালন মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
এরপর বুধবার সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে কয়েকজন অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দা জড়ো হয়ে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং শিক্ষক লালনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
তবে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশরাফুজ্জামান মুকুল জানিয়েছেন, গোলাম কিবরিয়া লালন কটূক্তির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, শিক্ষক লালন প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘদিন দেশের বাইরে থাকার কারণে বাংলা ভাষার উচ্চারণ কিছুটা অস্পষ্ট হয়েছে বলে মন্তব্য করেছিলেন।
এমএম/