দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নেত্রকোনায় নাজু আক্তার (৩৪) নামে সাবেক স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার পর মাটি চাপা দিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছিলেন নুরুল আমিন (৪০)। নিখোঁজের ঘটনায় নিহতের ভাইয়ের করা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) সূত্র ধরে তদন্তে নেমে সাত দিন পর হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নুরুল আমিনকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নুরুল আমিনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নেত্রকোনা সদর উপজেলার মৌগাতি ইউনিয়নের নগুয়া গ্রাম থেকে নাজু আক্তারের মাটি চাপা দেওয়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
আটক নুরুল আমিন নগুয়া গ্রামের ইসলাম উদ্দিনের ছেলে। নাজু আক্তার নেত্রকোনা পৌর শহরের কাটলী এলাকার মৃত ইসলাম উদ্দিনের মেয়ে।
পুলিশ ও স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে নুরুল আমিন ও নাজু আক্তারের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এ নিয়ে আদালতে ধর্ষণের একটি মামলাও চলমান রয়েছে। এছাড়া অন্য একটি মামলার রায়ে নাজু আক্তারকে খোরপোষ দিয়ে আসছিলেন নুরুল আমিন। তবে গত তিন মাস ধরে খোরপোষের টাকা না দেওয়ায় গত ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় টাকা চাইতে নুরুল আমিনকে ফোন করেন নাজু আক্তার।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, টাকা দেওয়ার কথা বলে নাজু আক্তারকে নেত্রকোনা শহর থেকে নগুয়া গ্রামে নিয়ে যান নুরুল আমিন। সেখানে নদীর তীরে ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করে মাটিতে পুঁতে রাখেন তিনি। পরে নাজু আক্তারের সঙ্গে থাকা মুঠোফোন, হাতব্যাগসহ অন্যান্য জিনিসপত্র গ্রামের শ্মশানের পাশে মাটির নিচে পুঁতে রাখেন।
নাজু আক্তার নিখোঁজ হওয়ার পর গত ২২ সেপ্টেম্বর তার ভাই শুভ মিয়া থানায় একটি জিডি করেন। এরপর পুলিশ তদন্ত শুরু করে। একপর্যায়ে শুক্রবার দুপুরে নুরুল আমিনকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার বিষয়ে তথ্য দেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থল থেকে নাজু আক্তারের মরদেহ উদ্ধার এবং হত্যায় ব্যবহৃত বিভিন্ন আলামত জব্দ করা হয়।
নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
যে আই