দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কাঁসার ঘণ্টা-থালার শব্দ আর মাঝিদের বৈঠার ছন্দে মুখর হয়ে উঠেছিল শরীয়তপুরের কীর্তিনাশা নদী। নদীর দুই পাড়ে হাজারো মানুষের করতালি ও উচ্ছ্বাসে তৈরি হয় উৎসবের আমেজ। তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে শরীয়তপুর সদর উপজেলার কীর্তিনাশা নদীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতার ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ডোমসার ইউনিয়নের তেতুলিয়া থেকে রাজগঞ্জ ব্রিজ হেলিপ্যাড পর্যন্ত নদীপথে প্রতিযোগিতার ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। এতে আমগ্রাম এক্সপ্রেস প্রথম, সাত সমাজ এক্সপ্রেস-১ দ্বিতীয় এবং মামা ভাগিনা এক্সপ্রেস তৃতীয় স্থান অর্জন করে।
আয়োজক কমিটি জানায়, ১৪ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া এ প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন এলাকার ১৪টি নৌকা অংশ নেয়। ১৪ সেপ্টেম্বর প্রথম রাউন্ড ও ১৮ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় রাউন্ড অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয় চূড়ান্ত পর্ব। আয়োজকদের ভাষ্য, তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখা এবং খেলাধুলা ও সুস্থ বিনোদনের মাধ্যমে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই আয়োজনটি করা হয়েছে।
ফাইনালকে ঘিরে সকাল থেকেই কীর্তিনাশা নদীর দুই পাড়ে মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সী মানুষ নৌকাবাইচ দেখতে নদীর পাড়ে অবস্থান নেন। বৈঠার তালে নৌকাগুলো দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার সময় করতালি ও উল্লাসে মুখর হয়ে ওঠে নদীর দুই পাড়।
প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া নৌকার নিরাপত্তা ও দর্শনার্থীদের সেবায় মেডিকেল টিম, ফায়ার সার্ভিস ও স্বেচ্ছাসেবকদের রাখা হয়। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী নৌকার জন্য ছিল একটি করে ফ্রিজ। এ ছাড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া প্রতিটি নৌকার জন্য দেওয়া হয় একটি করে টেলিভিশন।
আয়োজকদের বক্তব্য, শুধু বিনোদন নয়, তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা ও গ্রামীণ ঐতিহ্যের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ত করাও এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। নৌকাবাইচের মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজন মানুষের মধ্যে সামাজিক বন্ধন ও সম্প্রীতি বাড়াতে ভূমিকা রাখে।
অনুষ্ঠানে শরীয়তপুর সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদ টিপুর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ আহমেদ আসলাম। প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার এ. কে. এম. নাসির উদ্দিন কালু।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও শরীয়তপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল হোসেন সরদার, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন বাদল বেপারী, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সিরাজুল হক মোল্লাসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।
যে আই