দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শেরপুরে সরকারি বরাদ্দের প্রায় ১৪ কোটি টাকা মূল্যের সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে করা মামলায় ১০ বিসিআইসি ডিলারসহ ১৫ আসামিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ জহিরুল কবির তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মো. জিয়াউর রহমান।
কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন, সার ডিলার মো. ফরহাদ আলী, মাজাহারুল ইসলাম, মো. রফিকুল ইসলাম, সুবর্ণা সাহা রায়, সুফিয়া বেগম, মরিয়ম আক্তার মুন্নী, তাপস নন্দী, সিরাজুল হক, ছামিদুল ইসলাম ফারাজী ও বোরহান উদ্দিন এবং ডিলার পরিচালনাকারী আনোয়ার হোসেন, মনিরুজ্জামান মনির, প্রশান্ত সাহা, মো. বাদশা মিয়া ও জাকির হোসেন রতন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, সরকারি বরাদ্দের প্রায় ১৪ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে গত ২২ জুলাই সদর উপজেলার ১৫ ডিলারসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত মৌসুমে শেরপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন সার ডিলারের দোকান পরিদর্শনের সময় সার বিক্রির রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমো জব্দ করে যাচাই-বাছাই করা হয়। এতে ব্যাপক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। অধিক মুনাফার আশায় ডিলাররা সরকারি বরাদ্দের প্রায় ১৪ কোটি টাকা মূল্যের সার কালোবাজারে বিক্রি করেন। এতে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হয় এবং কৃষকদের সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার কিনতে হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার আসামিরা কিছুদিন আগে উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন নেন। সেই জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় মঙ্গলবার তারা জেলা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে নতুন করে জামিনের আবেদন করেন। পরে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে ১৫ আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
যে আই